১.মাইক্রোওয়েভ
মাইক্রোওয়েভ বা ওভেনের মতো যন্ত্রগুলো অনেক বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে, বিশেষ করে যখন এগুলো স্ট্যান্ডবাই মোডে থাকে। ব্যবহারের পর সঙ্গে সঙ্গে এগুলো মেইন সুইচ থেকে বন্ধ করে দেওয়া উচিত, নাহলে বিদ্যুৎ খরচ বৃদ্ধি পায়।
২. টোস্টার
খুব সাধারণ একটি যন্ত্র, তবে টোস্টারও অনেক বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে, বিশেষত যখন এটি স্ট্যান্ডবাই মোডে থাকে। সকাল বেলা কিছু পাউরুটি টোস্ট করা হলেও বিদ্যুৎ খরচ কমাতে, ব্যবহারের পর টোস্টারটি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিন।
৩. পুরোনো বাল্ব
পুরোনো বাল্ব বা লাইটের মাধ্যমে আপনি জানতেই পারেন, এটি বিদ্যুৎ খরচ বাড়াতে পারে। এখন সময় এসেছে পুরোনো বাল্বগুলো পরিবর্তন করে এলইডি বাল্ব ব্যবহার করার, যা অনেক কম বিদ্যুৎ খরচ করবে।এছাড়া বাজারে সস্তা মানহীন কিছু এসি/ডিসি বাল্প পাওয়া যায়, এমনকি কিছু আইপিএস ব্যাবহারে বিল বেশী আসে।
৪. ওয়াশিং মেশিন
দেখা যায়, অনেকেই ওয়াশিং মেশিনের প্ল্যাগ সারাদিন লাগিয়ে রাখেন। এটি একদিকে যেমন সুবিধাজনক, অন্যদিকে বিদ্যুৎ খরচ বাড়ায়। এর পরিবর্তে ৫ স্টার রেটিংযুক্ত ওয়াশিং মেশিন ব্যবহার করলে বিদ্যুৎ খরচ কমানো সম্ভব।
৫. এসি
এসি ব্যবহারের সময় বিদ্যুৎ খরচ বাড়ে, এটি আমরা সবাই জানি। তবে কিছু উপায় রয়েছে, যেমন ছাদে ইনসুলেশন ব্যবহার করা, প্রাকৃতিক বাতাসের সাহায্যে ঠান্ডা রাখা, এবং দিনের বেলা সূর্যের আলো কাজে লাগানো, যা আপনার বিদ্যুৎ খরচ কমাতে সাহায্য করবে।
এইসব পণ্যের ব্যবহার এবং দেখভাল সঠিকভাবে করলে বিদ্যুৎ খরচ কমাতে পারবেন এবং মাসিক বিলেও সাশ্রয় হতে পারে।




