views your Language

মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর, ২০১৮

কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর ৬২তম জন্মবার্ষিকী আজ

আজ  ১৬ অক্টোবর, মঙ্গলবার। তারুণ্য ও সংগ্রামের প্রতীক কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর ৬২তম জন্মবার্ষিকী। বাংলাদেশের কবিতায় অবিস্মরণীয় এই কবির শিল্পমগ্ন উচ্চারণ তাকে দিয়েছে সত্তরের অন্যতম কবি-স্বীকৃতি। ১৯৯১ সালের ২১ জুন মাত্র ৩৫ বছর বয়সে অকালপ্রয়ান হয় এই কবির।

মহান এ কবির জন্মদিনে রুপমের ব্লগের পক্ষথেকে জানাই প্রাণঢালা অভিনন্দন

বুধবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৮

ইমামের কথায়

বাবা মারা যাবার আজ দশবছর হতে চলছে।তখন থেকে সংসারটা মেয়েই চালায়।
এই রমজান মাসেই বাবা মারা যাওয়ায়,আমার কাছে রমজান মাসটা অনেক গুরুত্বপূর্ন।এজন্য সারাবছর মসজিদের ধারের কাছে না গেলেও।রমজান মাসে প্রতি ওয়াক্তে মসজিদে গিয়ে নামাজ পরি।এমনি এক জুম্মার দিনে ইমাম সাহেব বয়ান দিলেন,মাঝে মাঝে বাড়ীর মহিলাদের প্রসংশা করতে হয়।সেদিন বাড়ীতে এসে ইফতারের পর ভাত খাওয়ার পর মাকে বল্লাম আলহাম্দু্লইল্লা আজকে তরকারিটা দারুন হয়েছে।এটা শুনেই মা একটা মুচকি হাসিদিয়ে,ভাত তরকারির গামলা মাথায় ঢেলেদিয়ে বলছে,আজ সাতাশ বছর তোকে রান্না করে খাওয়াচ্ছি কোনদিনও বল্লিনা রান্না ভালোহয়েছে।যেমনি তোর চাচাত বোন রান্না করলো সেদিনেই প্রসংশার অভাব নাই।মা বলেই চলছে,এজন্য রুহির সাথে তোর এতো আলাপ!তাইতো ভাবি রুহির বাবার সংসার চলে না আর সে এত নতুন নতুন জামা কাপড় পায় কোথায়?এসব শুনতে শুনতে মনেমনে ইমাম সাহেবকে গালি দিচ্ছি আর বলছি রুহির সাথে ভাইবোনের সম্পর্ক ছাড়া আর কোন সম্পর্ক নাই।তার নতুন নতুন জামা কাপড়ের রহস্যও জানি না।

মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

পিতা-মাতাঃ সন্তানের পরিনতি

চারদিক শুনশান কারও মূখে কোন কথানাই।সবাই নিরব নিস্তব্ধ দাড়িয়ে আছে কেউ কেউ মাঝে মাঝে ফিস ফিস করে এটা ওটা বলাবলি করছে।রফিক সাহেবের স্ত্রী ও এক বযস্ক মহিলা একটা ঘরে ঢুকছে।দরজার কাছে আসতেই রফিক সাহেবের স্ত্রী তার কাছথেকে চিরবিদায় নিচ্ছে।রফিক সাহেব স্ত্রীর হাতে হাত রেখে অনেক কিছুই বলতে চাইছে কিন্তু মুখদিয়ে কোন কথা বেরুতেই চাইছেনা,দুজনের চোখঁদিয়ে অঝড়ধারায় অশ্রু ঝড়ছে।বয়স্ক মহিলাটি রফিক সাহেবের স্ত্রীকে নিয়ে ঘরে ঢুকার পরেও ঘরের বাইরে রফিক সাহেবের পাড়া-প্রতিবেশী সহ আরও অনেকের সাথে তার শ্বাশুড়ীও দাড়িয়ে আছে।সবাই মনেমনে দোয়া দরুদ পরছে।বেশ কিছু সময় পর,যে যায়গাটা নিরব নিস্তব্ধ ছিল তা ক্রমেই কোলাহলপূর্ন হয়ে উঠল।বাইরে রফিক সাহেবের বড়ভাই নামাজের সময় না হলেও আজান দিচ্ছে কেউ কেউ আবার মধু খুজছে।রফিক সাহেব বুঝতে পারলো বন্ধ ঘরের ভিতর থেকে একটি সুখবর এসেছে,তার ও তার স্ত্রীর কোলজুড়ে পুত্র সন্তান এসেছে।এটা শুনেই রফিক সাহেব দোকান থেকে মিষ্টি এনে সবার মাঝে বিলিয়ে দিল।


এটাই ছিল রফিক সাহেব ও তার স্ত্রীর প্রথম সন্তান।সন্তন জন্মের পর হতেই রফিক সাহেব ও তার স্ত্রীর নিয়ন্ত্রিত জীবন শুরুহয়।চাকরির সুবাদে বাইরে থাকলেও রুটিন করে প্রতিদিন স্ত্রীও তার সন্তানের খবর নেয়।এদিকে তার স্ত্রীর সকল ভাবনাজুড়ে থাকে তার এক মাত্র পুত্র সন্তান।তাকে মানুষ করতে দিনরাত দুজনে কঠর পরিশ্রম করতে লাগলে।পুত্র সন্তানটির একটি ভালো নাম,রাশেদ রেখে মহা ধুমধামে আকিকা করা হল।রাশেদ একটু বড় হতেই অনেক খেলনার মালিক হয়ে গেল।ছোটবেলা থেকেই রাশেদ একটু জেদি স্বভাবের ছিল।সে যেটা নিতে চাইতো সেটা নিয়েই ছাড়ত।এনিয়ে তার বাবা-মাও কোন অক্ষেপ করতনা। তারা বলত তাদের এক মাত্রইতো সন্তান,তার যা কিছু করছে তা সবেইতো তার জন্য।

এমনি একদিন একদিন বাবা- মায়ের সাথে মেলায় গেল রাশেদ।মেলা একটা খেলনা সাইকেল দেখে লোভ সামলাতে পারলোনা,সেটা নিতেই মা-বাবার কাছে বায়না ধরল।রফিক সাহেব কিছু মনেনা করেই সাইকেলটা

শনিবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৮

সন্তানকে সন্ত্রাসী বানানের ইচ্ছা

সব পিতা-মাতাই চায় নিজের সন্তানদের মানুষের মত মানুষ করতে।সবাই চায় তার সন্তান সমাজে যেন মাথা উচুকরে বাচেঁ।কোন কোন পরিবার তার সন্তানদের মানুষের মত মানুষ করতে পারলেও,অনেক পরিবারেই তাদের সন্তানদের মানুষ করতে পারেনা।তার পরেও চেষ্টার কোন ত্রুটি করেনা।অনেক সময় টাকা-অর্থকরি না থাকলে যতই চেষ্টা থাকুক না কেন ছেলে-মেয়েদের মানুষকরা মুশকিল হয়েপরে।তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যাতিক্রম ঘটে,অনেক টাকা-পয়সাওয়ালা মানুষের সন্তানেরা মানুষ হতে পারেনা,আবার অনেক গরিব গরিব ঘরের ছেলে-মেয়েরা এই সমাজে মাথা উচুকরে বাচেঁ।এতকিছুর পরেও গরিব পিতা-মাতারাও কিন্তু সন্তান মানুষ করার ইচ্ছা বা আশা ছেড়েদেয় না।

তেমনি একটি গরিব পরিবারের সন্তান মিলন,তৈয়ব আলী ও লিলি বেগমের ঘর উজ্জল করে মিলন যেদিন আসে,সে দিন সহ দুদিন আগে থেকেই তাদের ঘরে কোন খাবার দাবার নাই।এরই মাঝে তৈয়ব আলী- লিলি বেগমের প্রথম সন্তানের জন্ম।এর পরেও মিলনের পিতা-মাতা তাকে মানুষ করতে চেষ্টাকরে গেছে।শতকষ্ট হলেও মিলনকে স্কুলে ভর্তি করাসহ,স্কুলের সকল খরচাপাতি চালিয়ে আসছিল।মিলনকে মানুষ করতে লিলি বেগম মানুষের বাড়ীতে ঝির কাজ শুরু করে।

এভাবে চলতে থাকলে মিলনও স্কুলে মোটামুটি ভালোছাত্র হয়ে উঠে।সেটা দেখে তৈয়ব আলী ও লিলি বেগমের গর্বেবুক ভরে যায়,ও সন্তানের  ভালোর জন্য আরও কঠর পরিশ্রম করেতে থাকে।মিলন ষখন ক্লাস সিক্সে পড়ে তখন তার বাবা তৈয়ব আলী যেখানে কাজ করত,সেটা কোন এক কারনে বন্ধহয়ে যায়।এতে তৈয়ব আলী বেকার হয়েপরে।স্ত্রী লিলি বেগমের পক্ষে সংসার চালা সাথে ছেলের লেখাপড়ার খরচ জোগার করা কষ্টসাধ্য হয়ে পরে।মিলনও সেটা বুঝতে পারে।টাকা পয়সাওয়ালা মানুষের সন্তানেরা হয়তো ততোটা বুঝতে পারেনা,যতটা না অভাব-অনটনের মধ্য থাকা গরিব পরিবারের সন্তানেরা বুঝতে পারে।

মিলন ছোট-খটো কাজের একটা সন্ধান করে,কিন্তু সব গরিব ঘরের সন্তানের মত মিলনও ব্যর্থহয়।কাজ

শুক্রবার, ১০ আগস্ট, ২০১৮

মায়ের কম্পানি

চারদিকে পিতা-মাতার উপর সন্তানের অমানবিক নির্যাতন দেখতে দেখতে অনেক পিতা-মাতাই,নিজের সন্তানের উপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলছে।বৃদ্ধবয়সে যে ছেলে-মেয়েদের তাদের পিতা-মাতার দেখাশুনা করার কথা,তারাই জীবনের কঠিন ষেশ সময়ে পিতা-মাতাকে নিঃশ্বকরে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসছে।এসব দেখতে দেখতে নির্ভরশীলতার পরিবর্তে,সন্তানের প্রতি অনির্ভরতার জন্মদেয়।
ছবিঃ প্রতিকি

আমি এমন একজন মাকে দেখেছি,যে কিনা শুরু থেকে নিজের সন্তানের উপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছেন।এমনকি মুখফুটে পাড়া প্রতিবেশীদের কাছে তা বলতেও শুনেছি,এই ছেলে ভবিষ্যৎতে আমাকে ভরন-পোষণ দিবেনা এক কথায় দেখবেনা।যেখানে এখনো অনেক পিতা-মাতা বৃদ্ধ বয়সে,ছেলে সন্তানের উপর অস্থা রাখতে ছেলে সন্তান কামনা করে।সেখানে সেই মা তার ছেলে সন্তান ছোট থাকতেই,বুঝে গিয়েছেন বৃদ্ধ বয়সে সে তাকে কষ্ট দিবে,তাই সন্তানের উপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছেন।


শুক্রবার, ৬ জুলাই, ২০১৮

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিও

এ পেষ্টি যখন লিখতে বসছি,তখন অবলম্বনের আশায় একটা কম্পানিতে টানা কয়েকদিন ঘুরঘুর করছি,কিন্তু কিছুতেই কাঙ্খিত সেই অবলম্বন পাচ্ছিনা।যাক সে সব ব্যক্তিগত কথা।


বেশকয়েক বছর ধরে নন-এমপিও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারিরা নানা সময়ে এমপিওর জন্য অন্দোলন করে আসছেন।কিছুতেই কিছু হচ্ছেনা।এমনকি সরকারের গুরুত্বপূর্ন ব্যক্তিদের আশ্বাসেও কাজ হয়নি।তাই এবার বাধ্যহয়ে নন এমপিও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারিরা আমরন অনশনের ডাকদিয়ে বরাবরের মত এবারও জাতীয় প্রেসক্লাবে জড়ো হয়েছেন।কিন্তু বরাবরই শিক্ষকদের এ আন্দোলন কোন না কোন কারনে চাপাপরে গেছে।শিক্ষকদের সমাবেশস্থল জাতীয় প্রেসক্লাব হলেও দুএকটি পত্রিকা ছাড়া কোন মিডিয়াা গুরুত্বদিয়ে ফলাও ভাবে কোন প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি।এবারও তার ব্যতিক্রম দেখছিনা।দু'একজন কলামিষ্ট ছাড়া কেউই শিক্ষকদের এ আন্দোনলের বিষয়ে মূখ খুলছেননা।তবে আশার কথা সেদিন প্রধানমন্ত্রী সংসদে এসব নন এমপিও শিক্ষক কর্মচারিদের বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধানের কথা জানিয়ে,নন এমপিও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারিদের জন্য নিতিমালা প্রকাশ করেছেন।



তবে আমি জানিনা,সরকার এই নন এমপিও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারিদের প্রতি কতটা সহমর্মিতা ও গুরুত্ব দিচ্ছে?

সোমবার, ২৫ জুন, ২০১৮

আওয়ামীলীগঃ খালকেটে কুমির আনছে

রাজনৈতিক বিষয়ে কথা বলার আগ্রহ সবসময় সবারই থাকে।আমিও এর ব্যতিক্রম নই।তাই,গত কয়েক বছরের পর্যালোচনা থেকেই আজ দু'কলম লিখতে বসা।ইদানিং আওয়ামী লীগ সরকারের কিছু কর্মকান্ড দেখে সুস্পষ্টভাবে বুঝতে পারছি আওয়ামীলীগ নিজের পায়ে নিজেই কুড়াল মারছে।নবম সংসদ নির্বচনের আগে যখন মহাজোট গঠণ করে এরশাদের জাতীয় পার্টির সাথে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করে তখন থেকেই।এর আগের সাধারণ নির্বাচনের সময় একটা অন্যরকম নির্বাচনি আমেজ বিরাজ করেছিল,তখন প্রায় সব আসনেই ত্রিমূখি নির্বাচনি প্রতিযোগিতা হয়েছিল।কিন্তু মহাজোট গঠণ করে সেখানে নির্বাচনি আমেজকে শুধু ধ্বংসেই করাহয়নি, আওয়ামীলীগ নিজের পায়ে নিজেই কুড়াল মারছে।সে সময়ে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করার করনে অনেক জাতীয় পার্টির নেতা আওয়ামীলীগের সংস্পর্শে আসার সুযোগ পায়,এদিকে আওয়ামীলীগও উদারতার পরিচয় দিয়ে তাদের কাছে টেনেনিয়ে বুকে জরিয়ে ধরে।নির্বাচনে জয়লাভ করে মহাজোট সরকার গঠণ করে।সেই থেকে আওয়ামীলীগের সাথে জাতীয় পার্টির ঘনিষ্ঠতা আরও বৃদ্ধিপায়।এর দু'এক বছর পরেই আওয়ামীলীগের মূল দলের সাথে জাতীয় পার্টির অনেক নেতা সংপৃক্ত হয়,এমনকি কিছু জাতীয় পার্টির নেতা,আওয়ামীলীগ নেতা রুপে পূর্ণজন্মগ্রহণ করেন।সেই থেকে জাতীয় পার্টি ও আওয়ামীলীগ মিলে একাকার হয়ে দেশ পরিচালনা করছে।আওয়ামীলীগ সেটা বুঝতে পেরেছে যখন বিএনপির কিছু নেতা আওয়ামীলীগের বিভিন্ন কমিটিতে স্থান পায় তখন।তাই সে সময় "কাউয়া লীগ" নামের উদ্ভব হয়।যা এখন পর্যন্ত বিদ্যমান।কিন্তু আমার আশংঙ্কা হচ্ছে আবার যখন রাজনৈতিক দ্বন্দ শুরু হলে জাতীয় পার্টি বা অন্য দলের সাবেক নেতারা যারা আওয়ামীলীগের কমিটিতে স্থান পেয়েছিল তারা তখন আওয়ামীলীগের পক্ষে থাকবে তো?

রবিবার, ৩ জুন, ২০১৮

কিছু বলাযাবে নাঃবল্লে চাকরি হবে না

টেকনাফের পৌর কাউন্সিলর একরামকে কথিত বন্দুক যুদ্ধে হত্যাকরা হয়েছে।সেটা জানাজায়,কথিত সেই বন্দুক যুদ্ধের অডিও ক্লিপ প্রকাশ পাওয়ার পরেই।সেই কথিত বন্দুক যুদ্ধনিয়ে অনেক প্রশ্ন আসে,সরকারের অতন্ত্য দুজন গুরুত্বপূর্ন দায়িত্বশীল ব্যক্তি বন্দুক যুদ্ধে নিজ দলীয় এরকাম নিহত হওয়ার ঘটনায় তাদের নিজ নিজ অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন।তাদের দায় সারা বক্তব্যে,নিহত একরামের বিরুদ্ধে যে অমানবিক অন্যায় হয়েছে তা অস্বীকার করা হয়েছে।শুধু তাই নয় তারা অন্যায় কারির পক্ষে সাফাই করছে।যাক এসব কথা বল্লে হয়তো আর চাকরি হবে না!সারা জীবন হয়তো বেকার বসে ডিম পারতে হবে।

বৃহস্পতিবার, ৩ মে, ২০১৮

আমি ও আমার এসএসসি ফলাফল

এস এস সি পাস করেছি আজ প্রায় ১১ বছর হতে চলছে।আজ এস এস সি র ফলাফল প্রকাশ হবে,এতো দিন পর আমার আবার সেই পৃর্বের স্মৃতি মনে পরেগগেল। ।সে কারনেই এখানে লেখা । ছোট থেকেই অনেক কষ্টে বড় হয়েছি ।বাবার কষ্টের সংসারে সাহায্য করতে সব সময় আমাদের পানের দোকানে বসে ছিলাম।ক্লাসে আমার উপস্থিতি ছিল হাতে গোনার মত।ছাত্র যে খুব একটা খারাব ছিলাম তাও কিন্তু নয়।অভাবের কারনে এই দশা।শুরু করছি ফরম পুরোনের দিন থেকে।দোকান থেকে লুঙ্গি পরা অবস্থায় বাবাকে নিয়ে স্কুলে গেলাম ফরম পুরনের জন্য,ফরমপূরন করার আগে গনিত স্যার আমাকে , আব্বাকে,আমার চাচাকে (যিনি ঐ স্কুলের একজন স্টাফ),যে স্যারের আমি প্রিয় ছাত্র আর আমার ও প্রিয় শিক্ষক পন্ডিত স্যার কে , কম্পিউটার রুমে নিয়ে গেল । এখানেই বলেনেই অংকে খুব কাচা ছিলাম ,ক্লাস সেভেনের পর আর কোন পরীক্ষায় গনিতে পাস করতে পারি নাই।প্রাইভেট ও পরছিলাম ঐ স্যারের কাছে,পরছি বললে ভুল হবে শুধু ফাজলামি করেছি।মনে হয় সেই কারনে তিনি আমাকে সবার সামনে দাড় করিয়ে আপমান করলেন বাবা,চাচা রা মাথা নিচু করে শুনে গেলেন,আব্বাকে কোন দিন এরকম নিরহ বা হতাশ হতে দেখিনি।এই ভেবে খুব কষ্ট পেলাম,কার ও মূখের দিকে পর্যন্ত তাকাতে পারিনি।স্কুল থেকে বেরহরে সোজা শহরে গিয়ে একটা সামাধান নিয়ে এসে পুরা ৭২ ঘন্টা অংক করা,তারপর পরীক্ষা।এভাবে চলতে চলতে একসময় অংকে হিরো হয়ে গেলাম।অংক করতে করতে এক এক টা অংক ১০০ বারের অধিক করাহয়ে গেছে।এভাবে প্রতিটা অংক মুখস্ত হয়ে যায়।
সে সময় জীবনের প্রথম পরীক্ষার আগে পাড়া-প্রতিবেশী সবার কাছে দোয়া নেয়ার একটা অ-লিখিত নিয়ম ছিল।এর ধারাবাহিকতায় এলাকায় এক বড় ভাই,যে কিনা এলাকার নামকরা শিক্ষীত ছিলেন,তিনি টিউশনিও করাতেন।তার কাছে দোয়া নিতে গেলাম,কিন্তু তিনি মুখের উপর বলে দিলেন তার সবচেয়ে খারাব স্টুডেন্টের চেয়েও আমার রেজাল্ট নাকি খারাব হবে!এখানেই শেষ নয়।আমাদের অবস্থা এতটাই খারাব ছিল যে পরীক্ষার আগের রাতেও বই কেনা হয়েউঠে নাই।সে কারনেই পরীক্ষার ফাঁকে যে কয়েকদিন বন্ধছিল সে দিনগুলিতে দোকান করে বইয়ের টাকা বেড় করাও সম্ভব হয়ে উঠতো না।শেষ পযন্ত পরীক্ষার আগের রাতে খুব কষ্টকরে হলেও রাত ১০ টার আগে টাকা জোগাড় করে শহরে গিয়ে পরের দিনের

বুধবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৮

ভূয়া

দেশটা যে আমাদের ভাই
লিখতে এখন হলো তাই।
দেশটা এখন ভূয়া বিতর্কে-বিতর্কিত
সবখানে ভূয়ার তো কারবার
ভূয়া পুলিশ,ভূয়া র্যাব
দেশটা এখন অ-নিরাপদ
ভূয়া ডাক্তার,ভূয়া কোচ
দেশে এখন অনেক দূর্যক
ভূয়া সাংবাদিক,ভূয়া নাগরিক
দেশটা এখন অনেক মেধাহীন।
ভূয়া ব্যবসায়ী,ভূয়া কারখানা
দেশ এখন সন্ত্রাসীদের আখড়া
ও আমার খোদা....
এদের হাত থেকে আমাদের বাচাঁ
ভূয়া সংগঠন।ভূয়া দল
এদের এখানে কি দরকার?
ভূয়া যোদ্ধা,ভূয়া ভোট
দেশ এখন অরাজক।
বিশৃঙ্খলায় ভরছে দেশ
সূখে নেই তো কোন লোক
ভূয়া ছাত্র,ভূয়া শিক্ষক
সবাই এখন পথ ভ্রষ্ট
দূরন্ত পথিক,ছুটছে সবাই নিজের তরে
নিচ্ছে কিনে সনদ জাল।
প্রশ্ন ফাঁসের ফাদে পরে
অর্থ সময় করছে ক্ষয়
কাজের কথা কিছু নাই
অ-কাজের সব ফোঁটে খই
এদের দ্বারা কি করা হয়?
সে তো কারও অ-জানা নয়।
তবু আমার কেন মুখ বুঝে আছি হায়?
প্রতিবাদ করার ভাষা নাই
আমরা যে সবাই তাই।

সোমবার, ২৬ মার্চ, ২০১৮

সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়স ৩৫ চাই না

আমার মত  সদ্য পড়াশুনা শেষকরা  অনেক ছাত্র-ছাত্রী ভাই বোনেরা, অনেক দিন ধরেই কথা বলে চলেছেন। কখনো সমাবেশ, কখনো মানববন্ধন, কখনো অবস্থান ধর্মঘট করে তাঁরা সদাশয় সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করে যাচ্ছেন। কয়েক বছর ধরেই তাঁদের জমায়েত কখনো জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে, কখন শাহবাগ মোড়ে।১০ মার্চ তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্মারকলিপি দিতে গিয়ে বাংলামোটর এলাকায় পুলিশের হাতে মার খেয়েছেন। আন্দোলনরত মেয়েদের নির্যাতিত হওয়ার দৃশ্য আমরা গণমাধ্যমে দেখেছি।যা কোনভাবেই কাম্যনয়।২৪ মার্চ আবার নতুন করে কোথাও কথাও আন্দোলন শুরু হয়।




বর্তমান বিধি অনুযায়ী, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩০ বছর। তবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে তা ৩২। অর্থাৎ সাধারণ ক্ষেত্রে বয়স ৩০ বছর পার হলে আর কেউ সরকারি চাকরির জন্য দরখাস্ত করতে পারবেন না। তাঁকে দৌড়াতে হবে বেসরকারি চাকরি, ব্যবসা বা অন্য কোনো উপায়ে রুটিরুজি জোগাড়ের দিকে।
এই তরুণেরা চান, বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩০–এর জায়গায় ৩৫ করা হোক। কারণ, সেশনজটের বেড়া ডিঙিয়ে তাঁদের স্নাতক/স্নাতকোত্তর শেষ করতেই বয়স ২৭ বা ২৮ হয়ে যায়। তাই চাকরিতে প্রবেশের প্রস্তুতি নিতে নিতেই বয়স ৩০-এর কাছাকাছি এসে পড়ে।
  
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সময়সীমা ৩৫ করার দাবি যৌক্তিক মনেহলেও এ দাবি একটি আত্মঘাতী দাবি!আমার কাছে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ করার দাবি আত্মঘাতী ছাড়া আর কিছুই না?



এবার