views your Language

শুক্রবার, ১০ আগস্ট, ২০১৮

মায়ের কম্পানি

চারদিকে পিতা-মাতার উপর সন্তানের অমানবিক নির্যাতন দেখতে দেখতে অনেক পিতা-মাতাই,নিজের সন্তানের উপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলছে।বৃদ্ধবয়সে যে ছেলে-মেয়েদের তাদের পিতা-মাতার দেখাশুনা করার কথা,তারাই জীবনের কঠিন ষেশ সময়ে পিতা-মাতাকে নিঃশ্বকরে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসছে।এসব দেখতে দেখতে নির্ভরশীলতার পরিবর্তে,সন্তানের প্রতি অনির্ভরতার জন্মদেয়।
ছবিঃ প্রতিকি

আমি এমন একজন মাকে দেখেছি,যে কিনা শুরু থেকে নিজের সন্তানের উপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছেন।এমনকি মুখফুটে পাড়া প্রতিবেশীদের কাছে তা বলতেও শুনেছি,এই ছেলে ভবিষ্যৎতে আমাকে ভরন-পোষণ দিবেনা এক কথায় দেখবেনা।যেখানে এখনো অনেক পিতা-মাতা বৃদ্ধ বয়সে,ছেলে সন্তানের উপর অস্থা রাখতে ছেলে সন্তান কামনা করে।সেখানে সেই মা তার ছেলে সন্তান ছোট থাকতেই,বুঝে গিয়েছেন বৃদ্ধ বয়সে সে তাকে কষ্ট দিবে,তাই সন্তানের উপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছেন।


শুক্রবার, ৬ জুলাই, ২০১৮

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিও

এ পেষ্টি যখন লিখতে বসছি,তখন অবলম্বনের আশায় একটা কম্পানিতে টানা কয়েকদিন ঘুরঘুর করছি,কিন্তু কিছুতেই কাঙ্খিত সেই অবলম্বন পাচ্ছিনা।যাক সে সব ব্যক্তিগত কথা।


বেশকয়েক বছর ধরে নন-এমপিও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারিরা নানা সময়ে এমপিওর জন্য অন্দোলন করে আসছেন।কিছুতেই কিছু হচ্ছেনা।এমনকি সরকারের গুরুত্বপূর্ন ব্যক্তিদের আশ্বাসেও কাজ হয়নি।তাই এবার বাধ্যহয়ে নন এমপিও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারিরা আমরন অনশনের ডাকদিয়ে বরাবরের মত এবারও জাতীয় প্রেসক্লাবে জড়ো হয়েছেন।কিন্তু বরাবরই শিক্ষকদের এ আন্দোলন কোন না কোন কারনে চাপাপরে গেছে।শিক্ষকদের সমাবেশস্থল জাতীয় প্রেসক্লাব হলেও দুএকটি পত্রিকা ছাড়া কোন মিডিয়াা গুরুত্বদিয়ে ফলাও ভাবে কোন প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি।এবারও তার ব্যতিক্রম দেখছিনা।দু'একজন কলামিষ্ট ছাড়া কেউই শিক্ষকদের এ আন্দোনলের বিষয়ে মূখ খুলছেননা।তবে আশার কথা সেদিন প্রধানমন্ত্রী সংসদে এসব নন এমপিও শিক্ষক কর্মচারিদের বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধানের কথা জানিয়ে,নন এমপিও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারিদের জন্য নিতিমালা প্রকাশ করেছেন।



তবে আমি জানিনা,সরকার এই নন এমপিও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারিদের প্রতি কতটা সহমর্মিতা ও গুরুত্ব দিচ্ছে?

সোমবার, ২৫ জুন, ২০১৮

আওয়ামীলীগঃ খালকেটে কুমির আনছে

রাজনৈতিক বিষয়ে কথা বলার আগ্রহ সবসময় সবারই থাকে।আমিও এর ব্যতিক্রম নই।তাই,গত কয়েক বছরের পর্যালোচনা থেকেই আজ দু'কলম লিখতে বসা।ইদানিং আওয়ামী লীগ সরকারের কিছু কর্মকান্ড দেখে সুস্পষ্টভাবে বুঝতে পারছি আওয়ামীলীগ নিজের পায়ে নিজেই কুড়াল মারছে।নবম সংসদ নির্বচনের আগে যখন মহাজোট গঠণ করে এরশাদের জাতীয় পার্টির সাথে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করে তখন থেকেই।এর আগের সাধারণ নির্বাচনের সময় একটা অন্যরকম নির্বাচনি আমেজ বিরাজ করেছিল,তখন প্রায় সব আসনেই ত্রিমূখি নির্বাচনি প্রতিযোগিতা হয়েছিল।কিন্তু মহাজোট গঠণ করে সেখানে নির্বাচনি আমেজকে শুধু ধ্বংসেই করাহয়নি, আওয়ামীলীগ নিজের পায়ে নিজেই কুড়াল মারছে।সে সময়ে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করার করনে অনেক জাতীয় পার্টির নেতা আওয়ামীলীগের সংস্পর্শে আসার সুযোগ পায়,এদিকে আওয়ামীলীগও উদারতার পরিচয় দিয়ে তাদের কাছে টেনেনিয়ে বুকে জরিয়ে ধরে।নির্বাচনে জয়লাভ করে মহাজোট সরকার গঠণ করে।সেই থেকে আওয়ামীলীগের সাথে জাতীয় পার্টির ঘনিষ্ঠতা আরও বৃদ্ধিপায়।এর দু'এক বছর পরেই আওয়ামীলীগের মূল দলের সাথে জাতীয় পার্টির অনেক নেতা সংপৃক্ত হয়,এমনকি কিছু জাতীয় পার্টির নেতা,আওয়ামীলীগ নেতা রুপে পূর্ণজন্মগ্রহণ করেন।সেই থেকে জাতীয় পার্টি ও আওয়ামীলীগ মিলে একাকার হয়ে দেশ পরিচালনা করছে।আওয়ামীলীগ সেটা বুঝতে পেরেছে যখন বিএনপির কিছু নেতা আওয়ামীলীগের বিভিন্ন কমিটিতে স্থান পায় তখন।তাই সে সময় "কাউয়া লীগ" নামের উদ্ভব হয়।যা এখন পর্যন্ত বিদ্যমান।কিন্তু আমার আশংঙ্কা হচ্ছে আবার যখন রাজনৈতিক দ্বন্দ শুরু হলে জাতীয় পার্টি বা অন্য দলের সাবেক নেতারা যারা আওয়ামীলীগের কমিটিতে স্থান পেয়েছিল তারা তখন আওয়ামীলীগের পক্ষে থাকবে তো?

রবিবার, ৩ জুন, ২০১৮

কিছু বলাযাবে নাঃবল্লে চাকরি হবে না

টেকনাফের পৌর কাউন্সিলর একরামকে কথিত বন্দুক যুদ্ধে হত্যাকরা হয়েছে।সেটা জানাজায়,কথিত সেই বন্দুক যুদ্ধের অডিও ক্লিপ প্রকাশ পাওয়ার পরেই।সেই কথিত বন্দুক যুদ্ধনিয়ে অনেক প্রশ্ন আসে,সরকারের অতন্ত্য দুজন গুরুত্বপূর্ন দায়িত্বশীল ব্যক্তি বন্দুক যুদ্ধে নিজ দলীয় এরকাম নিহত হওয়ার ঘটনায় তাদের নিজ নিজ অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন।তাদের দায় সারা বক্তব্যে,নিহত একরামের বিরুদ্ধে যে অমানবিক অন্যায় হয়েছে তা অস্বীকার করা হয়েছে।শুধু তাই নয় তারা অন্যায় কারির পক্ষে সাফাই করছে।যাক এসব কথা বল্লে হয়তো আর চাকরি হবে না!সারা জীবন হয়তো বেকার বসে ডিম পারতে হবে।

বৃহস্পতিবার, ৩ মে, ২০১৮

আমি ও আমার এসএসসি ফলাফল

এস এস সি পাস করেছি আজ প্রায় ১১ বছর হতে চলছে।আজ এস এস সি র ফলাফল প্রকাশ হবে,এতো দিন পর আমার আবার সেই পৃর্বের স্মৃতি মনে পরেগগেল। ।সে কারনেই এখানে লেখা । ছোট থেকেই অনেক কষ্টে বড় হয়েছি ।বাবার কষ্টের সংসারে সাহায্য করতে সব সময় আমাদের পানের দোকানে বসে ছিলাম।ক্লাসে আমার উপস্থিতি ছিল হাতে গোনার মত।ছাত্র যে খুব একটা খারাব ছিলাম তাও কিন্তু নয়।অভাবের কারনে এই দশা।শুরু করছি ফরম পুরোনের দিন থেকে।দোকান থেকে লুঙ্গি পরা অবস্থায় বাবাকে নিয়ে স্কুলে গেলাম ফরম পুরনের জন্য,ফরমপূরন করার আগে গনিত স্যার আমাকে , আব্বাকে,আমার চাচাকে (যিনি ঐ স্কুলের একজন স্টাফ),যে স্যারের আমি প্রিয় ছাত্র আর আমার ও প্রিয় শিক্ষক পন্ডিত স্যার কে , কম্পিউটার রুমে নিয়ে গেল । এখানেই বলেনেই অংকে খুব কাচা ছিলাম ,ক্লাস সেভেনের পর আর কোন পরীক্ষায় গনিতে পাস করতে পারি নাই।প্রাইভেট ও পরছিলাম ঐ স্যারের কাছে,পরছি বললে ভুল হবে শুধু ফাজলামি করেছি।মনে হয় সেই কারনে তিনি আমাকে সবার সামনে দাড় করিয়ে আপমান করলেন বাবা,চাচা রা মাথা নিচু করে শুনে গেলেন,আব্বাকে কোন দিন এরকম নিরহ বা হতাশ হতে দেখিনি।এই ভেবে খুব কষ্ট পেলাম,কার ও মূখের দিকে পর্যন্ত তাকাতে পারিনি।স্কুল থেকে বেরহরে সোজা শহরে গিয়ে একটা সামাধান নিয়ে এসে পুরা ৭২ ঘন্টা অংক করা,তারপর পরীক্ষা।এভাবে চলতে চলতে একসময় অংকে হিরো হয়ে গেলাম।অংক করতে করতে এক এক টা অংক ১০০ বারের অধিক করাহয়ে গেছে।এভাবে প্রতিটা অংক মুখস্ত হয়ে যায়।
সে সময় জীবনের প্রথম পরীক্ষার আগে পাড়া-প্রতিবেশী সবার কাছে দোয়া নেয়ার একটা অ-লিখিত নিয়ম ছিল।এর ধারাবাহিকতায় এলাকায় এক বড় ভাই,যে কিনা এলাকার নামকরা শিক্ষীত ছিলেন,তিনি টিউশনিও করাতেন।তার কাছে দোয়া নিতে গেলাম,কিন্তু তিনি মুখের উপর বলে দিলেন তার সবচেয়ে খারাব স্টুডেন্টের চেয়েও আমার রেজাল্ট নাকি খারাব হবে!এখানেই শেষ নয়।আমাদের অবস্থা এতটাই খারাব ছিল যে পরীক্ষার আগের রাতেও বই কেনা হয়েউঠে নাই।সে কারনেই পরীক্ষার ফাঁকে যে কয়েকদিন বন্ধছিল সে দিনগুলিতে দোকান করে বইয়ের টাকা বেড় করাও সম্ভব হয়ে উঠতো না।শেষ পযন্ত পরীক্ষার আগের রাতে খুব কষ্টকরে হলেও রাত ১০ টার আগে টাকা জোগাড় করে শহরে গিয়ে পরের দিনের

বুধবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৮

ভূয়া

দেশটা যে আমাদের ভাই
লিখতে এখন হলো তাই।
দেশটা এখন ভূয়া বিতর্কে-বিতর্কিত
সবখানে ভূয়ার তো কারবার
ভূয়া পুলিশ,ভূয়া র্যাব
দেশটা এখন অ-নিরাপদ
ভূয়া ডাক্তার,ভূয়া কোচ
দেশে এখন অনেক দূর্যক
ভূয়া সাংবাদিক,ভূয়া নাগরিক
দেশটা এখন অনেক মেধাহীন।
ভূয়া ব্যবসায়ী,ভূয়া কারখানা
দেশ এখন সন্ত্রাসীদের আখড়া
ও আমার খোদা....
এদের হাত থেকে আমাদের বাচাঁ
ভূয়া সংগঠন।ভূয়া দল
এদের এখানে কি দরকার?
ভূয়া যোদ্ধা,ভূয়া ভোট
দেশ এখন অরাজক।
বিশৃঙ্খলায় ভরছে দেশ
সূখে নেই তো কোন লোক
ভূয়া ছাত্র,ভূয়া শিক্ষক
সবাই এখন পথ ভ্রষ্ট
দূরন্ত পথিক,ছুটছে সবাই নিজের তরে
নিচ্ছে কিনে সনদ জাল।
প্রশ্ন ফাঁসের ফাদে পরে
অর্থ সময় করছে ক্ষয়
কাজের কথা কিছু নাই
অ-কাজের সব ফোঁটে খই
এদের দ্বারা কি করা হয়?
সে তো কারও অ-জানা নয়।
তবু আমার কেন মুখ বুঝে আছি হায়?
প্রতিবাদ করার ভাষা নাই
আমরা যে সবাই তাই।

সোমবার, ২৬ মার্চ, ২০১৮

সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়স ৩৫ চাই না

আমার মত  সদ্য পড়াশুনা শেষকরা  অনেক ছাত্র-ছাত্রী ভাই বোনেরা, অনেক দিন ধরেই কথা বলে চলেছেন। কখনো সমাবেশ, কখনো মানববন্ধন, কখনো অবস্থান ধর্মঘট করে তাঁরা সদাশয় সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করে যাচ্ছেন। কয়েক বছর ধরেই তাঁদের জমায়েত কখনো জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে, কখন শাহবাগ মোড়ে।১০ মার্চ তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্মারকলিপি দিতে গিয়ে বাংলামোটর এলাকায় পুলিশের হাতে মার খেয়েছেন। আন্দোলনরত মেয়েদের নির্যাতিত হওয়ার দৃশ্য আমরা গণমাধ্যমে দেখেছি।যা কোনভাবেই কাম্যনয়।২৪ মার্চ আবার নতুন করে কোথাও কথাও আন্দোলন শুরু হয়।




বর্তমান বিধি অনুযায়ী, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩০ বছর। তবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে তা ৩২। অর্থাৎ সাধারণ ক্ষেত্রে বয়স ৩০ বছর পার হলে আর কেউ সরকারি চাকরির জন্য দরখাস্ত করতে পারবেন না। তাঁকে দৌড়াতে হবে বেসরকারি চাকরি, ব্যবসা বা অন্য কোনো উপায়ে রুটিরুজি জোগাড়ের দিকে।
এই তরুণেরা চান, বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩০–এর জায়গায় ৩৫ করা হোক। কারণ, সেশনজটের বেড়া ডিঙিয়ে তাঁদের স্নাতক/স্নাতকোত্তর শেষ করতেই বয়স ২৭ বা ২৮ হয়ে যায়। তাই চাকরিতে প্রবেশের প্রস্তুতি নিতে নিতেই বয়স ৩০-এর কাছাকাছি এসে পড়ে।
  
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সময়সীমা ৩৫ করার দাবি যৌক্তিক মনেহলেও এ দাবি একটি আত্মঘাতী দাবি!আমার কাছে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ করার দাবি আত্মঘাতী ছাড়া আর কিছুই না?



এবার

বৃহস্পতিবার, ৮ মার্চ, ২০১৮

নারীবাদের উদ্ভব ও ক্রমবিকাশ

সাম্প্রতি পৃথিবীর প্রতিটি দেশেই নারী সমাজ জেগে উঠেছে।নারীদের এই জাগরন বা উদ্ভব আক্রর্শিক কোন বিষয় নয় বরং পৃথিবী সৃস্টির কাল থেকেই নারী সমাজতাদের যোগ্যতা ও অবদান রাখছেন।উদাহরণ হিসেবে বলা যায়,চাপাই নবাবগঞ্জের নাচোলের কৃষক বিদ্রোহে ইলামিত্র নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।কামিনী রায়। 'ইলবাট বিল' আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে।মাতাঙ্গিনী হাজরা ১৯৪২ সালে ভারত ছাড় আন্দোলনে মৃত্যুবরণ করেন।চট্টগ্রাম সূর্যসেনের বিপ্লবি দলে যোগ দেয় প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার ও কল্পনা দত্ত।অসহযোগ আন্দোলনে 'বাসন্তী দেবী'কারাবরণ করেন।মাদার কুরী নামে এক নারী পদার্থ বিজ্ঞানী দু'বার নোবেল বিজয়ী হয়।সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে গণতন্র প্রতিষ্ঠায় একদশকের আধিক গৃহবন্দি ছিলেন অং সাং সূচী।তবে নারীবাদের উদ্ভব হয় ইউরোপে শিল্প বিপ্লবের মাধ্যমে।
"বিশ্বের যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর অর্ধেক তার করিয়াছে নারী,অর্ধেক তার নর"সাম্যের পূজারী জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের এই মহান বাণী দ্বারা বুঝাযায় নারীরা কোন অংশে পুরুষ থেকে কাম নয়।
নারীবাদ(Feminism)-
নারী-পুরুষ সম্মিলিত ভাবেই মানবজাজি।সভ্যতার অগ্রগতিতে নারী ও পুরুষ উভয়েরই সমান অবদান রয়েছে।আদি কাল থেকে নারীরা শোষিত হয়ে আসছে। শোষিত হতে হতে এই অবস্থাকে নারীরা স্বাভাবিক বলে ধরে নিয়েছে।পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় পুরুষের ভূমিকা ও অবদান সম্পর্কে যতোটা জানা যায়,নারীর অবদান ও ভূমিকা সম্পর্কে ততোটা জানা যায় না।কেননা পুরুষতন্ত্র তার নিজের অবস্থাকে টিকিয়ে রাখার জন্যই নারীকে সর্বদা অধস্তন করে রাখে।অথচ নারী সুপ্রাচীন কাল থেকেই পরিবার,সমাজ,রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে আসছে।নারীবাদের উদ্ভব ও ক্রমবিকাশে নারীদের সমাজ গঠনে ভূমিকা,তাদের পশ্চাৎপদের কারন,কী ভাবে নারী-পুরুষের মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্কের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ ও সমতাভিত্তিক সমাজ গঠন করে তা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮

আউটসোর্সিংয়ে আয়-রোজগার

অনেক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের দিয়ে ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ধরনের কাজ করিয়ে নেয়। কর্মী নিয়োগ না করে অন্য কাউকে দিয়ে কাজ করানোকে বলে আউটসোর্সিং।
যারা একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে বা একটি নির্দিষ্ট পেশায় নিয়োজিত না থেকে নিজের দক্ষতা ও পছন্দ অনুযায়ী অনলাইনে অন্যের কাজ করে দেন, তাদের বলা হয় ফ্রিল্যান্সার।
গতানুগতিক কাজ থেকে একটু ভিন্ন হওয়ায় এবং স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ থাকায় অনেকেই ফ্রিল্যান্সিংয়ে ঝুঁকছেন। 
তবে আউটসোর্সিং বলতে অনেকেই শুধু ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিকস ডিজাইন বা ডাটা এন্ট্রির কাজ বুঝে থাকেন। প্রচলিত এসব ট্রেডের পাশাপাশি আরো অনেক ধরনের কাজের সুযোগ রয়েছে অনলাইন মার্কেটপ্লেসে। 
ডাটা ভিজ্যুয়ালাইজেশন
তথ্য সংগ্রহ করে তা ছবি, গ্রাফ, চার্ট আকারে উপস্থাপনই ডাটা ভিজ্যুয়ালাইজেশন। সহজভাবে তথ্যকে তুলে ধরা, মূল বিষয়বস্তু সংক্ষেপে উপস্থাপনের জন্য ডাটা ভিজ্যুয়ালাইজেশনের কাজ করা হয়। এ কাজের জন্য এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট, গ্রাফিকস ডিজাইন, অডিও ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট, ইউআই বা ইউএক্স ডিজাইন সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে।
কার্টোগ্রাফি অ্যান্ড ম্যাপস
অনলাইন মার্কেটপ্লেসে আছে বিভিন্ন স্থান বা স্থাপনার ভূ-প্রাকৃতিক অবস্থান, দেশ বা অঞ্চলের মানচিত্র তৈরির কাজ। অ্যাপ তৈরি, জিওগ্রাফিক্যাল ইনফরমেশন সিস্টেম (জিআইএস), প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা চিহ্নিত করা, নির্দিষ্ট এলাকার বিভিন্ন স্থাপনা প্রদর্শনের জন্য কার্টোগ্রাফি অ্যান্ড ম্যাপস কাজের চাহিদা রয়েছে।
ডাটা মাইনিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট
বিশাল তথ্যভাণ্ডার, সার্চ ইঞ্জিন ও ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে বা প্রদত্ত তথ্যকে এমনভাবে সাজাতে হয় যেন তা থেকে সহজেই মূল বা দরকারি তথ্য খুঁজে বের করা যায়। বিভিন্ন গাণিতিক পদ্ধতি, ডাটা মাইনিং সফটওয়্যার (যেমন-ওরাকল, অরেঞ্জ, ওয়েকা) ব্যবহার করে উপাত্তগুলোকে সহজ তথ্যে রূপান্তর করা যায়। ডাটা মাইনিং সফটওয়্যার ও প্রোগ্রামের ব্যবহার, ইন্টারনেট রিসার্চ, ডাটা এন্ট্রিতে দক্ষ হলে এ কাজ করা যায়।
লোগো ও স্টিকার ডিজাইন
বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্যের প্রচার ও প্রসারের জন্য বা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে স্টিকার ডিজাইন করে। অনলাইন মার্কেটপ্লেসে লোগো ডিজাইন কাজেরও প্রচুর চাহিদা রয়েছে। ক্লায়েন্টের চাহিদা অনুযায়ী সাইজ, রেজুলেশন, ফরম্যাট (যেমন-জেপিজি, পিএনজি, জিআইএফ বা পিএসডি) ঠিক রাখতে হবে। প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসার মূল বিষয়বস্তু বা উদ্দেশ্য যেন লোগো ও স্টিকারে প্রতিফলিত হয় সেদিকে নজর রাখতে হবে। ছবি আঁকা, ফটোশপ বা ইলাস্ট্রেটরে কাজের প্রতি যাদের আগ্রহ আছে বা সময় পেলেই নকশা করতে পছন্দ করেন-স্টিকার ডিজাইনের ক্ষেত্রে তাঁরা বেশ ভালো করতে পারবেন।
বুক রাইটিং
বইপ্রেমী ও লেখালেখির প্রতি আগ্রহী ব্যক্তিরা বুক রাইটিংকে ফ্রিল্যান্সিং পেশা হিসেবে বেছে নিতে পারেন। নির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর গল্প লেখা, গল্প, কবিতা বা গ্রন্থের সারাংশ তৈরি করে দেওয়া, বইয়ে বানান, ব্যাকরণগত ভুল বা বাক্য সংশোধনও হতে পারে কাজ। অনলাইন মার্কেটপ্লেসে থ্রিলার লেখকদের বেশ চাহিদা রয়েছে।
কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স অ্যান্ড টেস্টিং
ওয়েবসাইটের কোয়ালিটি, সফটওয়্যার বা মোবাইল অ্যাপের কোডিং, ইউজার ইন্টারফেস ডিজাইন যাচাই, ভিডিও রেজুলেশন, অডিও কোয়ালিটি যাচাইয়ের কাজ করা যেতে পারে। গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব প্রোগ্রামিং বা অন্য কোনো ক্ষেত্রে ত্রুটি খুঁজে বের করার দক্ষতা এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা সংগ্রহ ও গবেষণায় আগ্রহ থাকলে কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স অ্যান্ড টেস্টিংয়ের কাজ করতে পারেন।
ডাটা সায়েন্স অ্যান্ড অ্যানালাইসিস
সংগৃহীত অগোছালো তথ্যকে প্রয়োজন অনুযায়ী সাজানো, তথ্যভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করা, মার্কেট রিসার্চ, ইন্টারনেট থেকে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা এবং তা প্রোগ্রামিং, পরিসংখ্যান বা গাণিতিক উপায়ে সহজভাবে সাজানোর কাজ করা যেতে পারে।
ট্রাভেল রাইটিং
ভ্রমণপিপাসুদের জন্য ট্রাভেল রাইটিং অনেকের কাছেই পছন্দের কাজ হতে পারে। ঐতিহ্যবাহী স্থান, খাবার, ভ্রমণ টিপস, থাকা-খাওয়াসহ যাতায়াতের তথ্য থাকে এ ধরনের লেখায়। ট্রাভেল এজেন্সি, হোটেল, ভ্রমণসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ওয়েবসাইট, ব্রশিউর তৈরির মাধ্যমে গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে ট্রাভেল রাইটিংয়ের বিজ্ঞাপন দেয় অনলাইন মার্কেটপ্লেসে। ইন্টারনেট থেকে নির্দিষ্ট স্থানের বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে লেখার কাজও পাওয়া যায়। লেখার জন্য অবশ্যই ইংরেজিতে দক্ষতা ও আকর্ষণীয়ভাবে কোনো বিষয়কে তুলে ধরার গুণ থাকতে হবে।
মেডিক্যাল ট্রান্সলেশন
চিকিৎসা, স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিভিন্ন আর্টিকেল তৈরি, ওষুধের গুণাগুণ, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এবং প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কে লিখেও আয় করতে পারেন। চিকিৎসক, ফার্মাসিস্ট বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অধ্যয়নরত, ইন্টারনেটে অনুসন্ধানে দক্ষ এবং বিভিন্ন ভাষায় পারদর্শী ব্যক্তিরা এ কাজ পেতে পারেন।
আরো অনেক সুযোগ

সোমবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৭

গুগলের মতোই আপনার কাজে লাগতে পারে আরো ৮টি সার্চইঞ্জিন!

আপনি হয়তো গুগলেই আপনার যত অনুসন্ধান আছে সেসবের জন্য হাতড়ে বেড়ান। কিন্তু এছাড়াও আরো অনেক বিশেষায়িত সার্চ ইঞ্জিন আছে যেগুলো আপনার কাজে লাগতে পারে।
এই সার্চ ইঞ্জিনগুলোর প্রতিটি নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে আপনাকে সহায়তা করবে। যেমন, মিউজিক, রেসিপি, অনলাইন কোর্স, স্টক ফটো, ফন্ট, ইবুক, পডকাস্ট, ইউজার ম্যানুয়াল প্রভৃতি বিষয়ে আপনার যত অনুসন্ধান আছে তা করতে পারবেন।
১. Class-central.com
আপনি যদি নতুন কিছু শিখতে চান তাহলে এই সাইটটি আপনাকে কখনোই হতাশ করবেনা। এই সাইটে রয়েছে ব্যাপক ওপেন অনলাইন কোর্স (এমওওসি) এর সন্ধান। শখের কোর্স থেকে শুরু চাকরিতে সহায়ক সব ধরনের কোর্স আছে এতে।
এই সাইটে ৭০০ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইনস্টিটিউটের অনলাইন কোর্স এর সন্ধান রয়েছে। যেখানে স্ট্যানফোর্ড, এমআইটি, হার্ভার্ড, জনহপকিন্স, ইয়েল এবং ওসাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ বিশ্বের নামী-দামি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্স পাওয়া যাবে।

শুক্রবার, ১০ নভেম্বর, ২০১৭

আজ শহীদ নূর হোসেন দিবস

আজ শহীদ নূর হোসেন দিবস৷১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর স্বৈরাচার এরশাদবিরধী গণ-আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর জির পয়েন্ট এলাকায়(বর্তমানে শহীদ নূর হোসেন স্কয়ার)পুলিশের গুলিতে শহীদ হন যুবলীগ নেতা নূর হোসেন৷নূর হোসেন ছাড়াও যুবলীগের আরেক নেতা নূরুল হুদা বাবুল ও কিশোরগন্জের বাজিতপুরের ক্ষেতমজুর নেতা আমিনুল হুদা টিটো সেদিন শহীদ হন৷১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর বুকে-পিঠে"গণতন্র মুক্তি পাক/স্বৈরাচার নিপাত যাক "স্লোগান লিখে 
বিক্ষোভ করেন নূর হোসেন৷এর পর পুলিশ তাকে গুলি করে৷নূর হোসেনের এ আত্নদান স্বৈরাচারবিরধী গণ-আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করে৷১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বরর স্বৈরশাসক এশাদের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়৷এর পর থেকে প্রতিবছর দিনটি শহীদ নূর হোসেন দিবস বা গণতন্র মুক্তি দিবস হিসেবে পালন করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল৷

বুধবার, ৮ নভেম্বর, ২০১৭

পৃথিবীতে সবচেয়ে রহস্য ঘেরা পাঁচটি স্থান যেখানে মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ

বর্তমান পৃথিবীতে এমন অনেক জায়গা আছে যেখানে সাধারণ মানুষ কখনোই যেতে পারবেন না। শুধু তালিকাবদ্ধ হাতেগোনা কয়েকজন মানুষ যেতে পারেন সেখানে। এ জায়গাগুলোর নিরাপত্তা খুবই কঠোর। সেখানে যাওয়া তো দূরের কথা, খুব কম মানুষই জানেন ঐসব জায়গার কথা। তবে যাওয়া নিষিদ্ধ হলেও সেসব জায়গা সম্পর্কে জেনে নিতে তো কোনো অসুবিধা নেই। আসুন জেনে নিই পৃথিবীর সবচেয়ে আলোচিত পাঁচটি সীমিত প্রবেশাধিকারের স্থান সম্পর্কে।
এরিয়া ৫১
পৃথিবীতে মানুষের সৃষ্টি দুর্লঙ্ঘ জায়গাগুলোর মধ্যে প্রথম কাতারেই থাকবে আমেরিকার নেভাডা অঙ্গরাজ্যের সামরিক স্থাপনা ‘এরিয়া- ৫১’। এই এলাকায় সাধারণ মানুষের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। দুর্ভেদ্য বেষ্টনীতে ঘেরা এ ঘাটির প্রবেশপথে লেখা আছে “সংরক্ষিত এলাকার দিকে প্রবেশের চেষ্টা করলেই তাকে গুলি করা হবে”। তাই এই জায়গাটি নিয়েই বিশ্ববাসীর সবচেয়ে বেশি কৌতূহল। কী আছে এর ভেতর? কীইবা এমন কাজ করা হয় এই ঘাঁটিতে, যার দরুন সেখানকার তালিকাভুক্ত কর্মীদের ছাড়া আর কাউকেই ঢুকতে দেওয়া হয় না? এমন প্রশ্ন বিশ্ববাসীর মনে ঘুরপাক খাবে এটাই যেন স্বাভাবিক । ‘এরিয়া ৫১’ এমন এক সামরিক ঘাটি, যেখানকার কর্মীরা সরাসরি প্রেসিডেন্টের কাছে দায়বদ্ধ।
এরিয়া ৫১-এর ভেতর আজ পর্যন্ত বেসামরিক কেউ ঢুকতে পারেননি। যদি কেউ ঢুকেও থাকেন, তাহলে তিনি ফিরে এসেছেন লাশ হয়ে । এরিয়া ৫১ এলাকাটিকে আমেরিকার সরকার এতটাই গোপন করে রেখেছিল যে, আমেরিকা ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যকার স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালীন এটির সম্পর্কে সোভিয়েত উইনিয়নের বারবার অভিযোগ সত্ত্বেও এর অস্তিত্ব স্বীকার করেনি ওয়াশিংটন। অবশেষে ১৮ই আগষ্ট ২০১৩ সালে প্রথমবারের মতো আমেরিকার সরকার স্বীকার করে নেয় যে, হ্যাঁ এই এরিয়া ৫১ এর অস্তিত্ব আছে। তারা স্বীকার করে যে আমেরিকার সরকার দেশটির এক গোপন সামরিক পরীক্ষার স্থান হিসেবে ‘এরিয়া ৫১’ নামক জায়গাটি ব্যবহার করে। এই জায়গাটিকে নিয়ে রয়েছে অনেক ধরনের জল্পনা আর বিতর্কও।