views your Language

রবিবার, ৩ জুন, ২০১৮

কিছু বলাযাবে নাঃবল্লে চাকরি হবে না

টেকনাফের পৌর কাউন্সিলর একরামকে কথিত বন্দুক যুদ্ধে হত্যাকরা হয়েছে।সেটা জানাজায়,কথিত সেই বন্দুক যুদ্ধের অডিও ক্লিপ প্রকাশ পাওয়ার পরেই।সেই কথিত বন্দুক যুদ্ধনিয়ে অনেক প্রশ্ন আসে,সরকারের অতন্ত্য দুজন গুরুত্বপূর্ন দায়িত্বশীল ব্যক্তি বন্দুক যুদ্ধে নিজ দলীয় এরকাম নিহত হওয়ার ঘটনায় তাদের নিজ নিজ অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন।তাদের দায় সারা বক্তব্যে,নিহত একরামের বিরুদ্ধে যে অমানবিক অন্যায় হয়েছে তা অস্বীকার করা হয়েছে।শুধু তাই নয় তারা অন্যায় কারির পক্ষে সাফাই করছে।যাক এসব কথা বল্লে হয়তো আর চাকরি হবে না!সারা জীবন হয়তো বেকার বসে ডিম পারতে হবে।

বৃহস্পতিবার, ৩ মে, ২০১৮

আমি ও আমার এসএসসি ফলাফল

এস এস সি পাস করেছি আজ প্রায় ১১ বছর হতে চলছে।আজ এস এস সি র ফলাফল প্রকাশ হবে,এতো দিন পর আমার আবার সেই পৃর্বের স্মৃতি মনে পরেগগেল। ।সে কারনেই এখানে লেখা । ছোট থেকেই অনেক কষ্টে বড় হয়েছি ।বাবার কষ্টের সংসারে সাহায্য করতে সব সময় আমাদের পানের দোকানে বসে ছিলাম।ক্লাসে আমার উপস্থিতি ছিল হাতে গোনার মত।ছাত্র যে খুব একটা খারাব ছিলাম তাও কিন্তু নয়।অভাবের কারনে এই দশা।শুরু করছি ফরম পুরোনের দিন থেকে।দোকান থেকে লুঙ্গি পরা অবস্থায় বাবাকে নিয়ে স্কুলে গেলাম ফরম পুরনের জন্য,ফরমপূরন করার আগে গনিত স্যার আমাকে , আব্বাকে,আমার চাচাকে (যিনি ঐ স্কুলের একজন স্টাফ),যে স্যারের আমি প্রিয় ছাত্র আর আমার ও প্রিয় শিক্ষক পন্ডিত স্যার কে , কম্পিউটার রুমে নিয়ে গেল । এখানেই বলেনেই অংকে খুব কাচা ছিলাম ,ক্লাস সেভেনের পর আর কোন পরীক্ষায় গনিতে পাস করতে পারি নাই।প্রাইভেট ও পরছিলাম ঐ স্যারের কাছে,পরছি বললে ভুল হবে শুধু ফাজলামি করেছি।মনে হয় সেই কারনে তিনি আমাকে সবার সামনে দাড় করিয়ে আপমান করলেন বাবা,চাচা রা মাথা নিচু করে শুনে গেলেন,আব্বাকে কোন দিন এরকম নিরহ বা হতাশ হতে দেখিনি।এই ভেবে খুব কষ্ট পেলাম,কার ও মূখের দিকে পর্যন্ত তাকাতে পারিনি।স্কুল থেকে বেরহরে সোজা শহরে গিয়ে একটা সামাধান নিয়ে এসে পুরা ৭২ ঘন্টা অংক করা,তারপর পরীক্ষা।এভাবে চলতে চলতে একসময় অংকে হিরো হয়ে গেলাম।অংক করতে করতে এক এক টা অংক ১০০ বারের অধিক করাহয়ে গেছে।এভাবে প্রতিটা অংক মুখস্ত হয়ে যায়।
সে সময় জীবনের প্রথম পরীক্ষার আগে পাড়া-প্রতিবেশী সবার কাছে দোয়া নেয়ার একটা অ-লিখিত নিয়ম ছিল।এর ধারাবাহিকতায় এলাকায় এক বড় ভাই,যে কিনা এলাকার নামকরা শিক্ষীত ছিলেন,তিনি টিউশনিও করাতেন।তার কাছে দোয়া নিতে গেলাম,কিন্তু তিনি মুখের উপর বলে দিলেন তার সবচেয়ে খারাব স্টুডেন্টের চেয়েও আমার রেজাল্ট নাকি খারাব হবে!এখানেই শেষ নয়।আমাদের অবস্থা এতটাই খারাব ছিল যে পরীক্ষার আগের রাতেও বই কেনা হয়েউঠে নাই।সে কারনেই পরীক্ষার ফাঁকে যে কয়েকদিন বন্ধছিল সে দিনগুলিতে দোকান করে বইয়ের টাকা বেড় করাও সম্ভব হয়ে উঠতো না।শেষ পযন্ত পরীক্ষার আগের রাতে খুব কষ্টকরে হলেও রাত ১০ টার আগে টাকা জোগাড় করে শহরে গিয়ে পরের দিনের

বুধবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৮

ভূয়া

দেশটা যে আমাদের ভাই
লিখতে এখন হলো তাই।
দেশটা এখন ভূয়া বিতর্কে-বিতর্কিত
সবখানে ভূয়ার তো কারবার
ভূয়া পুলিশ,ভূয়া র্যাব
দেশটা এখন অ-নিরাপদ
ভূয়া ডাক্তার,ভূয়া কোচ
দেশে এখন অনেক দূর্যক
ভূয়া সাংবাদিক,ভূয়া নাগরিক
দেশটা এখন অনেক মেধাহীন।
ভূয়া ব্যবসায়ী,ভূয়া কারখানা
দেশ এখন সন্ত্রাসীদের আখড়া
ও আমার খোদা....
এদের হাত থেকে আমাদের বাচাঁ
ভূয়া সংগঠন।ভূয়া দল
এদের এখানে কি দরকার?
ভূয়া যোদ্ধা,ভূয়া ভোট
দেশ এখন অরাজক।
বিশৃঙ্খলায় ভরছে দেশ
সূখে নেই তো কোন লোক
ভূয়া ছাত্র,ভূয়া শিক্ষক
সবাই এখন পথ ভ্রষ্ট
দূরন্ত পথিক,ছুটছে সবাই নিজের তরে
নিচ্ছে কিনে সনদ জাল।
প্রশ্ন ফাঁসের ফাদে পরে
অর্থ সময় করছে ক্ষয়
কাজের কথা কিছু নাই
অ-কাজের সব ফোঁটে খই
এদের দ্বারা কি করা হয়?
সে তো কারও অ-জানা নয়।
তবু আমার কেন মুখ বুঝে আছি হায়?
প্রতিবাদ করার ভাষা নাই
আমরা যে সবাই তাই।

সোমবার, ২৬ মার্চ, ২০১৮

সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়স ৩৫ চাই না

আমার মত  সদ্য পড়াশুনা শেষকরা  অনেক ছাত্র-ছাত্রী ভাই বোনেরা, অনেক দিন ধরেই কথা বলে চলেছেন। কখনো সমাবেশ, কখনো মানববন্ধন, কখনো অবস্থান ধর্মঘট করে তাঁরা সদাশয় সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করে যাচ্ছেন। কয়েক বছর ধরেই তাঁদের জমায়েত কখনো জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে, কখন শাহবাগ মোড়ে।১০ মার্চ তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্মারকলিপি দিতে গিয়ে বাংলামোটর এলাকায় পুলিশের হাতে মার খেয়েছেন। আন্দোলনরত মেয়েদের নির্যাতিত হওয়ার দৃশ্য আমরা গণমাধ্যমে দেখেছি।যা কোনভাবেই কাম্যনয়।২৪ মার্চ আবার নতুন করে কোথাও কথাও আন্দোলন শুরু হয়।




বর্তমান বিধি অনুযায়ী, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩০ বছর। তবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে তা ৩২। অর্থাৎ সাধারণ ক্ষেত্রে বয়স ৩০ বছর পার হলে আর কেউ সরকারি চাকরির জন্য দরখাস্ত করতে পারবেন না। তাঁকে দৌড়াতে হবে বেসরকারি চাকরি, ব্যবসা বা অন্য কোনো উপায়ে রুটিরুজি জোগাড়ের দিকে।
এই তরুণেরা চান, বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩০–এর জায়গায় ৩৫ করা হোক। কারণ, সেশনজটের বেড়া ডিঙিয়ে তাঁদের স্নাতক/স্নাতকোত্তর শেষ করতেই বয়স ২৭ বা ২৮ হয়ে যায়। তাই চাকরিতে প্রবেশের প্রস্তুতি নিতে নিতেই বয়স ৩০-এর কাছাকাছি এসে পড়ে।
  
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সময়সীমা ৩৫ করার দাবি যৌক্তিক মনেহলেও এ দাবি একটি আত্মঘাতী দাবি!আমার কাছে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ করার দাবি আত্মঘাতী ছাড়া আর কিছুই না?



এবার

বৃহস্পতিবার, ৮ মার্চ, ২০১৮

নারীবাদের উদ্ভব ও ক্রমবিকাশ

সাম্প্রতি পৃথিবীর প্রতিটি দেশেই নারী সমাজ জেগে উঠেছে।নারীদের এই জাগরন বা উদ্ভব আক্রর্শিক কোন বিষয় নয় বরং পৃথিবী সৃস্টির কাল থেকেই নারী সমাজতাদের যোগ্যতা ও অবদান রাখছেন।উদাহরণ হিসেবে বলা যায়,চাপাই নবাবগঞ্জের নাচোলের কৃষক বিদ্রোহে ইলামিত্র নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।কামিনী রায়। 'ইলবাট বিল' আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে।মাতাঙ্গিনী হাজরা ১৯৪২ সালে ভারত ছাড় আন্দোলনে মৃত্যুবরণ করেন।চট্টগ্রাম সূর্যসেনের বিপ্লবি দলে যোগ দেয় প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার ও কল্পনা দত্ত।অসহযোগ আন্দোলনে 'বাসন্তী দেবী'কারাবরণ করেন।মাদার কুরী নামে এক নারী পদার্থ বিজ্ঞানী দু'বার নোবেল বিজয়ী হয়।সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে গণতন্র প্রতিষ্ঠায় একদশকের আধিক গৃহবন্দি ছিলেন অং সাং সূচী।তবে নারীবাদের উদ্ভব হয় ইউরোপে শিল্প বিপ্লবের মাধ্যমে।
"বিশ্বের যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর অর্ধেক তার করিয়াছে নারী,অর্ধেক তার নর"সাম্যের পূজারী জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের এই মহান বাণী দ্বারা বুঝাযায় নারীরা কোন অংশে পুরুষ থেকে কাম নয়।
নারীবাদ(Feminism)-
নারী-পুরুষ সম্মিলিত ভাবেই মানবজাজি।সভ্যতার অগ্রগতিতে নারী ও পুরুষ উভয়েরই সমান অবদান রয়েছে।আদি কাল থেকে নারীরা শোষিত হয়ে আসছে। শোষিত হতে হতে এই অবস্থাকে নারীরা স্বাভাবিক বলে ধরে নিয়েছে।পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় পুরুষের ভূমিকা ও অবদান সম্পর্কে যতোটা জানা যায়,নারীর অবদান ও ভূমিকা সম্পর্কে ততোটা জানা যায় না।কেননা পুরুষতন্ত্র তার নিজের অবস্থাকে টিকিয়ে রাখার জন্যই নারীকে সর্বদা অধস্তন করে রাখে।অথচ নারী সুপ্রাচীন কাল থেকেই পরিবার,সমাজ,রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে আসছে।নারীবাদের উদ্ভব ও ক্রমবিকাশে নারীদের সমাজ গঠনে ভূমিকা,তাদের পশ্চাৎপদের কারন,কী ভাবে নারী-পুরুষের মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্কের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ ও সমতাভিত্তিক সমাজ গঠন করে তা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮

আউটসোর্সিংয়ে আয়-রোজগার

অনেক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের দিয়ে ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ধরনের কাজ করিয়ে নেয়। কর্মী নিয়োগ না করে অন্য কাউকে দিয়ে কাজ করানোকে বলে আউটসোর্সিং।
যারা একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে বা একটি নির্দিষ্ট পেশায় নিয়োজিত না থেকে নিজের দক্ষতা ও পছন্দ অনুযায়ী অনলাইনে অন্যের কাজ করে দেন, তাদের বলা হয় ফ্রিল্যান্সার।
গতানুগতিক কাজ থেকে একটু ভিন্ন হওয়ায় এবং স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ থাকায় অনেকেই ফ্রিল্যান্সিংয়ে ঝুঁকছেন। 
তবে আউটসোর্সিং বলতে অনেকেই শুধু ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিকস ডিজাইন বা ডাটা এন্ট্রির কাজ বুঝে থাকেন। প্রচলিত এসব ট্রেডের পাশাপাশি আরো অনেক ধরনের কাজের সুযোগ রয়েছে অনলাইন মার্কেটপ্লেসে। 
ডাটা ভিজ্যুয়ালাইজেশন
তথ্য সংগ্রহ করে তা ছবি, গ্রাফ, চার্ট আকারে উপস্থাপনই ডাটা ভিজ্যুয়ালাইজেশন। সহজভাবে তথ্যকে তুলে ধরা, মূল বিষয়বস্তু সংক্ষেপে উপস্থাপনের জন্য ডাটা ভিজ্যুয়ালাইজেশনের কাজ করা হয়। এ কাজের জন্য এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট, গ্রাফিকস ডিজাইন, অডিও ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট, ইউআই বা ইউএক্স ডিজাইন সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে।
কার্টোগ্রাফি অ্যান্ড ম্যাপস
অনলাইন মার্কেটপ্লেসে আছে বিভিন্ন স্থান বা স্থাপনার ভূ-প্রাকৃতিক অবস্থান, দেশ বা অঞ্চলের মানচিত্র তৈরির কাজ। অ্যাপ তৈরি, জিওগ্রাফিক্যাল ইনফরমেশন সিস্টেম (জিআইএস), প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা চিহ্নিত করা, নির্দিষ্ট এলাকার বিভিন্ন স্থাপনা প্রদর্শনের জন্য কার্টোগ্রাফি অ্যান্ড ম্যাপস কাজের চাহিদা রয়েছে।
ডাটা মাইনিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট
বিশাল তথ্যভাণ্ডার, সার্চ ইঞ্জিন ও ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে বা প্রদত্ত তথ্যকে এমনভাবে সাজাতে হয় যেন তা থেকে সহজেই মূল বা দরকারি তথ্য খুঁজে বের করা যায়। বিভিন্ন গাণিতিক পদ্ধতি, ডাটা মাইনিং সফটওয়্যার (যেমন-ওরাকল, অরেঞ্জ, ওয়েকা) ব্যবহার করে উপাত্তগুলোকে সহজ তথ্যে রূপান্তর করা যায়। ডাটা মাইনিং সফটওয়্যার ও প্রোগ্রামের ব্যবহার, ইন্টারনেট রিসার্চ, ডাটা এন্ট্রিতে দক্ষ হলে এ কাজ করা যায়।
লোগো ও স্টিকার ডিজাইন
বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্যের প্রচার ও প্রসারের জন্য বা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে স্টিকার ডিজাইন করে। অনলাইন মার্কেটপ্লেসে লোগো ডিজাইন কাজেরও প্রচুর চাহিদা রয়েছে। ক্লায়েন্টের চাহিদা অনুযায়ী সাইজ, রেজুলেশন, ফরম্যাট (যেমন-জেপিজি, পিএনজি, জিআইএফ বা পিএসডি) ঠিক রাখতে হবে। প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসার মূল বিষয়বস্তু বা উদ্দেশ্য যেন লোগো ও স্টিকারে প্রতিফলিত হয় সেদিকে নজর রাখতে হবে। ছবি আঁকা, ফটোশপ বা ইলাস্ট্রেটরে কাজের প্রতি যাদের আগ্রহ আছে বা সময় পেলেই নকশা করতে পছন্দ করেন-স্টিকার ডিজাইনের ক্ষেত্রে তাঁরা বেশ ভালো করতে পারবেন।
বুক রাইটিং
বইপ্রেমী ও লেখালেখির প্রতি আগ্রহী ব্যক্তিরা বুক রাইটিংকে ফ্রিল্যান্সিং পেশা হিসেবে বেছে নিতে পারেন। নির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর গল্প লেখা, গল্প, কবিতা বা গ্রন্থের সারাংশ তৈরি করে দেওয়া, বইয়ে বানান, ব্যাকরণগত ভুল বা বাক্য সংশোধনও হতে পারে কাজ। অনলাইন মার্কেটপ্লেসে থ্রিলার লেখকদের বেশ চাহিদা রয়েছে।
কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স অ্যান্ড টেস্টিং
ওয়েবসাইটের কোয়ালিটি, সফটওয়্যার বা মোবাইল অ্যাপের কোডিং, ইউজার ইন্টারফেস ডিজাইন যাচাই, ভিডিও রেজুলেশন, অডিও কোয়ালিটি যাচাইয়ের কাজ করা যেতে পারে। গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব প্রোগ্রামিং বা অন্য কোনো ক্ষেত্রে ত্রুটি খুঁজে বের করার দক্ষতা এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা সংগ্রহ ও গবেষণায় আগ্রহ থাকলে কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স অ্যান্ড টেস্টিংয়ের কাজ করতে পারেন।
ডাটা সায়েন্স অ্যান্ড অ্যানালাইসিস
সংগৃহীত অগোছালো তথ্যকে প্রয়োজন অনুযায়ী সাজানো, তথ্যভাণ্ডার থেকে নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করা, মার্কেট রিসার্চ, ইন্টারনেট থেকে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা এবং তা প্রোগ্রামিং, পরিসংখ্যান বা গাণিতিক উপায়ে সহজভাবে সাজানোর কাজ করা যেতে পারে।
ট্রাভেল রাইটিং
ভ্রমণপিপাসুদের জন্য ট্রাভেল রাইটিং অনেকের কাছেই পছন্দের কাজ হতে পারে। ঐতিহ্যবাহী স্থান, খাবার, ভ্রমণ টিপস, থাকা-খাওয়াসহ যাতায়াতের তথ্য থাকে এ ধরনের লেখায়। ট্রাভেল এজেন্সি, হোটেল, ভ্রমণসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ওয়েবসাইট, ব্রশিউর তৈরির মাধ্যমে গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে ট্রাভেল রাইটিংয়ের বিজ্ঞাপন দেয় অনলাইন মার্কেটপ্লেসে। ইন্টারনেট থেকে নির্দিষ্ট স্থানের বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে লেখার কাজও পাওয়া যায়। লেখার জন্য অবশ্যই ইংরেজিতে দক্ষতা ও আকর্ষণীয়ভাবে কোনো বিষয়কে তুলে ধরার গুণ থাকতে হবে।
মেডিক্যাল ট্রান্সলেশন
চিকিৎসা, স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিভিন্ন আর্টিকেল তৈরি, ওষুধের গুণাগুণ, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এবং প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কে লিখেও আয় করতে পারেন। চিকিৎসক, ফার্মাসিস্ট বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অধ্যয়নরত, ইন্টারনেটে অনুসন্ধানে দক্ষ এবং বিভিন্ন ভাষায় পারদর্শী ব্যক্তিরা এ কাজ পেতে পারেন।
আরো অনেক সুযোগ

সোমবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৭

গুগলের মতোই আপনার কাজে লাগতে পারে আরো ৮টি সার্চইঞ্জিন!

আপনি হয়তো গুগলেই আপনার যত অনুসন্ধান আছে সেসবের জন্য হাতড়ে বেড়ান। কিন্তু এছাড়াও আরো অনেক বিশেষায়িত সার্চ ইঞ্জিন আছে যেগুলো আপনার কাজে লাগতে পারে।
এই সার্চ ইঞ্জিনগুলোর প্রতিটি নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে আপনাকে সহায়তা করবে। যেমন, মিউজিক, রেসিপি, অনলাইন কোর্স, স্টক ফটো, ফন্ট, ইবুক, পডকাস্ট, ইউজার ম্যানুয়াল প্রভৃতি বিষয়ে আপনার যত অনুসন্ধান আছে তা করতে পারবেন।
১. Class-central.com
আপনি যদি নতুন কিছু শিখতে চান তাহলে এই সাইটটি আপনাকে কখনোই হতাশ করবেনা। এই সাইটে রয়েছে ব্যাপক ওপেন অনলাইন কোর্স (এমওওসি) এর সন্ধান। শখের কোর্স থেকে শুরু চাকরিতে সহায়ক সব ধরনের কোর্স আছে এতে।
এই সাইটে ৭০০ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইনস্টিটিউটের অনলাইন কোর্স এর সন্ধান রয়েছে। যেখানে স্ট্যানফোর্ড, এমআইটি, হার্ভার্ড, জনহপকিন্স, ইয়েল এবং ওসাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ বিশ্বের নামী-দামি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্স পাওয়া যাবে।

শুক্রবার, ১০ নভেম্বর, ২০১৭

আজ শহীদ নূর হোসেন দিবস

আজ শহীদ নূর হোসেন দিবস৷১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর স্বৈরাচার এরশাদবিরধী গণ-আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর জির পয়েন্ট এলাকায়(বর্তমানে শহীদ নূর হোসেন স্কয়ার)পুলিশের গুলিতে শহীদ হন যুবলীগ নেতা নূর হোসেন৷নূর হোসেন ছাড়াও যুবলীগের আরেক নেতা নূরুল হুদা বাবুল ও কিশোরগন্জের বাজিতপুরের ক্ষেতমজুর নেতা আমিনুল হুদা টিটো সেদিন শহীদ হন৷১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর বুকে-পিঠে"গণতন্র মুক্তি পাক/স্বৈরাচার নিপাত যাক "স্লোগান লিখে 
বিক্ষোভ করেন নূর হোসেন৷এর পর পুলিশ তাকে গুলি করে৷নূর হোসেনের এ আত্নদান স্বৈরাচারবিরধী গণ-আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করে৷১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বরর স্বৈরশাসক এশাদের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়৷এর পর থেকে প্রতিবছর দিনটি শহীদ নূর হোসেন দিবস বা গণতন্র মুক্তি দিবস হিসেবে পালন করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল৷

বুধবার, ৮ নভেম্বর, ২০১৭

পৃথিবীতে সবচেয়ে রহস্য ঘেরা পাঁচটি স্থান যেখানে মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ

বর্তমান পৃথিবীতে এমন অনেক জায়গা আছে যেখানে সাধারণ মানুষ কখনোই যেতে পারবেন না। শুধু তালিকাবদ্ধ হাতেগোনা কয়েকজন মানুষ যেতে পারেন সেখানে। এ জায়গাগুলোর নিরাপত্তা খুবই কঠোর। সেখানে যাওয়া তো দূরের কথা, খুব কম মানুষই জানেন ঐসব জায়গার কথা। তবে যাওয়া নিষিদ্ধ হলেও সেসব জায়গা সম্পর্কে জেনে নিতে তো কোনো অসুবিধা নেই। আসুন জেনে নিই পৃথিবীর সবচেয়ে আলোচিত পাঁচটি সীমিত প্রবেশাধিকারের স্থান সম্পর্কে।
এরিয়া ৫১
পৃথিবীতে মানুষের সৃষ্টি দুর্লঙ্ঘ জায়গাগুলোর মধ্যে প্রথম কাতারেই থাকবে আমেরিকার নেভাডা অঙ্গরাজ্যের সামরিক স্থাপনা ‘এরিয়া- ৫১’। এই এলাকায় সাধারণ মানুষের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। দুর্ভেদ্য বেষ্টনীতে ঘেরা এ ঘাটির প্রবেশপথে লেখা আছে “সংরক্ষিত এলাকার দিকে প্রবেশের চেষ্টা করলেই তাকে গুলি করা হবে”। তাই এই জায়গাটি নিয়েই বিশ্ববাসীর সবচেয়ে বেশি কৌতূহল। কী আছে এর ভেতর? কীইবা এমন কাজ করা হয় এই ঘাঁটিতে, যার দরুন সেখানকার তালিকাভুক্ত কর্মীদের ছাড়া আর কাউকেই ঢুকতে দেওয়া হয় না? এমন প্রশ্ন বিশ্ববাসীর মনে ঘুরপাক খাবে এটাই যেন স্বাভাবিক । ‘এরিয়া ৫১’ এমন এক সামরিক ঘাটি, যেখানকার কর্মীরা সরাসরি প্রেসিডেন্টের কাছে দায়বদ্ধ।
এরিয়া ৫১-এর ভেতর আজ পর্যন্ত বেসামরিক কেউ ঢুকতে পারেননি। যদি কেউ ঢুকেও থাকেন, তাহলে তিনি ফিরে এসেছেন লাশ হয়ে । এরিয়া ৫১ এলাকাটিকে আমেরিকার সরকার এতটাই গোপন করে রেখেছিল যে, আমেরিকা ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যকার স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালীন এটির সম্পর্কে সোভিয়েত উইনিয়নের বারবার অভিযোগ সত্ত্বেও এর অস্তিত্ব স্বীকার করেনি ওয়াশিংটন। অবশেষে ১৮ই আগষ্ট ২০১৩ সালে প্রথমবারের মতো আমেরিকার সরকার স্বীকার করে নেয় যে, হ্যাঁ এই এরিয়া ৫১ এর অস্তিত্ব আছে। তারা স্বীকার করে যে আমেরিকার সরকার দেশটির এক গোপন সামরিক পরীক্ষার স্থান হিসেবে ‘এরিয়া ৫১’ নামক জায়গাটি ব্যবহার করে। এই জায়গাটিকে নিয়ে রয়েছে অনেক ধরনের জল্পনা আর বিতর্কও।

মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

রোহিঙ্গা ইস্যুতে রাজনীতিঃ(বাংলাদেশ)-আমেরিকা,ভারত,চীন


রোহিঙ্গা ইস্যুতে আমেরিকা কৌশলী দু'মুখি ভাবনিয়েছে।এদিকে চীন, ভারত প্রকাশ্য মিয়ানমার সরকারের পক্ষনিয়েছে।অপাতদৃষ্টিতে এতে করে আমেরিকা,ভারত কিংবা চীনের কোন লাভ মনে না হলেও,এতে তারা সবচেয়ে বড় সুবিধাটাই হাসিল করতে চাইছে,যা তারা কয়েক দশকেও পারেনি।সেটা আমাদের মত আমজনতার কাছে কল্পনারচেয়ে অনেক বড়।সবাই জানে আমেরিকা,চীন,ভারত এই তিনদেশেই বাংলাদেশের সীমানার বঙ্গোপসাগরে সামরিক বলয় তৌরি করতে চাইছে।কিম্তু দূরদৃষ্টিসম্পন্ন বাংলাদেশ সরকারও এতে কৌশলগত পন্থানুসরণ করেছে।বাংলাদেশ সরকার এমন পরিস্থিতি তৌরিকরেছে যে,তিন দেশকেই বাংলাদেশের সরকার  বঙ্গোপসাগর ঐ যায়গাটুকু দিতে রাজি হয়েছে আবার রাজি হয়ওনি! এভাবে "মূলা ঝুলা" রেখে কয়েকদশক বাংলাদেশ তাদের তিন দেশের কছে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করেছে।কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।কিন্তু আমাদের মত তারা অল্পতেই হাল ছেড়ে দেয়ার পাত্রনয়।তারা আরও কৌশলীহয়ে বিভিন্ন অন্তর্জাতিক সভা-সেমিনারে  এমনকি নিজ নিজ দেশে নিয়েগিয়ে, বাংলাদেশকে একটা আলাদা মর্যাদা দিয়েছে।কোনও কোন সময় বিভিন্ন সম্মাননা পুরুস্কারও পেয়েছে বাংলাদেশ।বাংলাদেশের সরকারের মনজয় করতে ঐ সকল সভা -সেমিনারে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া ভাষণ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় ফলাও করে প্রচার করাহয়।এসব করেও যখন তারা বাংলাদেশের মনজয় করতে পারেনি,তখন তারা একটি মাত্র সুযোগের অপেক্ষায় ছিল।
সময়ের পরিক্রমায় কয়েক দশক আগে থেকে শুরু হওয়া মিয়ানমারের  রোহিঙ্গা ইস্যু গতমাসের ২৫ তারিখ থেকে আবার শুরুহয়।এবারের মিয়ানমার-রোহিঙ্গা সংঘাত যে কোন বারের তুলনায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ।রোহিঙ্গা নির্যাতনের তথ্য এবার কিছুটা নির্ভূলভাবে সারাবিশ্বে অতিদূত ছড়িয়েপরে।এবারেই সবচেয়ে বেশি নির্যাতনের শিকার হচ্ছে।এবারের রোহিঙ্গা নির্যাতনের ধরনটাও আলাদা,লোমহর্ষ, বেদনাময়।  এরফলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েওঠে।ব্যতিক্রম শুধু আমেরিকা,চীন,ভারত এই তিনদেশ!
মিয়ানমারে রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে সারাবিশ্ব যখন এককাতারে,যখন সবাই এই সংকট নিরসনে অং সাং সূচীকে চাপদিতে একট্টা,তখন এই আমেরিকা,চীন,ভারত এরা মিয়ানমার সরকারের সাথে একত্ততা ঘোষণা করেছে!
তারা জানে মিয়ানমারে গোলযোগ হলে প্রতিবেশীদেশ হওয়ায় বাংলাদেশের উপর এর প্রভাব পরবে।হয়েছেও তাই।রোহিঙ্গা ইস্যুর প্রভাব মারাত্বকভাবে বাংলাদেশের উপর পরেছে।গত ২৫ আগষ্ট থেকে আজ পর্যন্ত এই ১৯-২০ দিনে প্রায় ৫ লক্ষ রোহিঙ্গা মুসলিম এমন কি রোহিঙ্গা হিন্দুরাও বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে।প্রথমে বাংলাদেশ সরকার সীমান্তে করাকরি আরোপ করে,কারন একটাই রোহিঙ্গারা যেন এ দেশে

শুক্রবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

লালু,ভূতু ও রোহিঙ্গা.....?



বেশকিছু দিন কাজের কারনে বাইরে ছিলাম।ঈদের কিছুদিন আগে বাড়ীতে আসি।সবাই পরিচিত হওয়ায় কুশলবিনিময় পর্ব শেষ হয়েছে।কিন্তু বাড়ীতে একটি অবলা পশুছিল তার কথা প্রায় ভূলেই গেছিলাম।অবলা পশুটা ছিল আমাদের বাড়ীর পালিত কুকুরটা।যতই আমি তারে ভূলেযাই, কিন্তু সে আমারে ঠিকই মনেরেখেছে।সেদিন বাজারে গোলাম,একটা পানের দোকানে দাড়িয়ে আছি, কেনজানি মনেহতে থাকলো কেউ আমাকে ফলোকরছে পিছনে ঘুরেই দেখি আমাদের সেই পালিত কুকুর,যার নাম দিয়েছি ভূতু।
দেখেই খানিকটা হতবাক হয়েপরলাম।আমিও তারদিকে তাকিয়ে আছি সেও।যখন তাকে নাম ধরে ভূতু বলে ডাকলাম,সে দেখি লেজ নাড়াচ্ছে।বুঝেগেলাম সে আমাকে চিনতে পেরেছে আর আমাকে অনেক দিনপর  দেখে খুশি হয়েছে। প্রভুভক্ত প্রাণীবলে কথা।তার এমনটা দেখে মনটা চাইলো তাকে কিছু একটা খেতেদেই।দিতেও চাইলাম কিন্তু তখনি মনেপরলো তাকে কিছু খেতেদিলেই সে আর আমার পিছু ছাড়বেনা,আর সে বাজারে আসার লোভও সামলাতে পারবেনা।তাছাড়া আমাদের আগের যে কুকুরটা ছিল(তার নাম ছিল লালু) তাকে একদিন বাজারে নিয়েএসে পরোটা খাইয়েছিলাম সেদিন থেকে সে আর কোনদিন বাজার আসা ছাড়েনি,খাওয়ার লোভে।আমি না খায়ালেও আমাদের বাড়ীর কেউ না কেউ তাকে ঠিকই খেতে দিয়েছে।এর কিছুদিন পর লালুকে কেউ একজন রুটির মধ্যে সুচ ডুকিয়ে খাইয়েছে।তাতে সে পাগল হয়েযায়।বাদ্ধহয়েই তাকে নিজ হতে মেরে ফেলতে হয়েছে।এতে বাড়ীর সবাই অনেক কষ্টপায়েছে।এসব চিন্তা করেই ভূতুকে কোনকিছু খেতে দেইনি।এতে দেখলাম সে মনখারব করেছে।তাতে আমার কি?আমি নিজের মতো চলেগেলাম।এর একদিন পর বাজারে চায়ের দোকানে বসে চাপান  করছিলাম,যখন বেরিয়ে বিলদিতে গেলাম দেখলাম ভূতু আমার দিকে এগিয়ে আসছে,সেদিনও তাকে কিছু খেতেদিতে চাইলেও দেইনি।
সেদিন ছিল ঈদেরদিন,ঘুমথেকে উঠেই নামাজ পরতে গেলাম।কিন্তু দেড়ীতে ঘুমথেকে উঠতে দেড়ী হওয়ায় প্রথম জামাতের নামাজ পরতে পারিনি।যখন নামাজ পরতে পারলামনা তখন ভাবলাম বাড়ীর জন্য কিছু খাবার নিয়ে রাখি,কারন দ্বিতীয় জামাতে নামাজ পরলে অনেক কিছুই পাওয়া যায়না।গেলাম দোকানে খাবার নিচ্ছি,তখনি দেখলাম ভূতুকে বাড়ীর একজন রুটি নিয়ে তাকে খওয়াচ্ছে।ঈদের দিন হওয়ায় মনটা আজ খুব ভূতুকে খাওয়াতে ইচ্ছা করছে।তবে এখনি ভূতুকে খাওয়ালো এই ভেবে তাকে আর খাওয়া হলো না।বিকেলে গরু কুরবানি ও মাংস বিতরন শেষে বন্ধুদের সাথে দেখা করতে গেলাম।চায়ের দোকানে বসতেই দেখি ভূতু কোথাথেকে যেন দোকানের সামনে হাজির।বুঝলাম ভূতু খুদার্ত তাই তাকে একটা রুটি নিয়ে খওয়ালাম।খওয়া শেষে আমি চলে আসছি দেখছি ভূতুও আমার পিছু পিছু আসছে।অনেক কষ্ট করেও তাকে পিছু ছাড়তে পারিনি।বন্ধুদের সাথে গেলে ভূতুও আমাদের সাথে যায়।সেদিন থেকে ভূতু আর আমার পিছু ছাড়েনি।আমি কখন বাজারে যাই কোন কোন  দোকানে যাই সবেই তার জানা।বাজারে গেলেই সে ও হাজির হয়।বাদ্ধ হয়েই তাকে এভাবে প্রতিদিন খাওয়াতে হয়।কোনদিন না খাওয়ালে ভূতু গাযের উপর এসে পরে।ভূতুর জন্য প্রতিদিন কমকরে হলেও দশ টাকা লাগবেই।বেকার বলে নিজের চা খাওয়ার পয়সাও কোন কোনদিন পকেটে থাকে না, তবুও ভূতুকে খাওয়াতে হবে।না খাওয়ালে তার গায়ে ওঠাদেখে আশেপাশের লোকেরা বলে,তোমাদেরইতো কুকুর পাচঁ  টাকা  খাওয়ালে কি হয়?মাঝে মাঝে আমাদের পরিবারের বাইরে লোকেরাও ভূতুকে খাওয়াতো।কিন্তু এখন আর খাওয়ায় না।হয়তো তারাও অর্থ কষ্টে আছে। লজ্জিত হয়ে টাকা না থাকলেও বাকিতে ভূতুর জন্য রুটি নিয়েদিতে হয়।এদিকে দোকানের বাকির খাতাটা ভাড়ি হতেই থাকে। এভাবে এখন চলছে জানিনা আর কতোদিন চলবে।

আমরা বাঙ্গালী,অতিথীপরায়ন জাতী হিসেবে আমরা সুপরিচিত।সেই সাথে আমরা মুসলিম।কোথাও কারও বিপদ দেখলে আমাদের মানবতা উতলিয়ে পরে।কেউ তাকে সাহায্য না করলে মানবতা ও মানবিকতার দোহাই দিয়ে সাহায্য করতে চাপদেই।তাতেও কাজ না হলে কুরান হাদিসে বিভিন্ন আয়াত উল্লেখ করে সাহায্য করতে বলি।

বর্তমানে বাংলাদেশ সহ সারাবিশ্বে রোহিঙ্গা ইস্যু একটি আলোচিত বিষয়।সাম্প্রতিক সময়ে রোহিঙ্গাদের সাথে বাংলাদেশ সমভাবে আলোচিত হচ্ছে।মিয়ানমার(বার্মা) অন্যায় ভাবে রাখাই রাজ্যের রোহিঙ্গা মুসলিমদের নাগরিকত্বের মতো গুরুত্বপূর্ন বিষয়ে রোহিঙ্গাদের বাদ দিয়েছে।বারবার মিয়ানমান সরকার রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দিতে অস্বিকৃতি জানিয়েছে।উপরন্ত অসংখ্যবার অন্যায় ভাবে রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতন চালিয়েছে।নির্যাতন থেকে বাদ যায়নি নারী,শিশু,বৃদ্ধ কেউই।নির্মমভাবে মানুষকে জবাই করে,ঘর-বাড়ীতে আগুনদিয়ে পুড়িয়ে মেরেছে।কিন্তু গত কয়ের বারের চেয়ে গত ২৫ আগস্ট শুরু হওয়া রোহিঙ্গা ও মিয়ানমার সেনাবাহিনির মধ্যে সংষর্স যে কোন বারের সহিংসতাকে হারমানিয়েছে।এবারের সহিংসতায় যোগহয়েছে রোহিঙ্গা হিন্দুদের পালিয়ে বাংলাদেশে আসা এবং তুলনামূলক ভাবে যুবক পুরুষরা সংখ্যায় কম বাংলাদেশে আসছে।এতেই বুঝাযায় মিয়ানমার সেনাবাহিনির নির্যাতনের হাত থেকে রোহিঙ্গা হিন্দুরাও বাদ যায়নি,আর এও বুঝাযায় রোহিঙ্গা যুবকেরা প্রতিরোধের মতো কিছু একটা করছে।একারনে তারা হয়তো রোহিঙ্গা স্যালভেসন আর্মি গঠন করেছে।
এভাবেই লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আসছে।
মিয়ানমারের আরাকানের রাখাই রাজ্যে এমন উদ্ভট পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ায় স্বভাবতই প্রতিবেশি ও সীমান্তবর্তি দেশ হিসেবে বাংলাদেশে উপর এর প্রভাব পরবে।সেই প্রভাব বাংলােশের উপর প্রবল ভাবে বিস্তার করছে যা কিনা এখনও বর্তমান।রোহিঙ্গারা নির্যাতনের হত থেকে বাচতে প্রথমে হাজারে হাজারে এর পর লাখে লাখে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে।বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী বাধাদিলেও তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে মরিয়া।বিবিসির খবর অনুযায়ী ২৫ আগষ্ট শুরু হওয়া সংঘর্ষ থেকে এ পর্যন্ত দেড় লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশের আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রিত হিসেবে আছে।প্রকৃত সংখ্যা এর থেকে অনেক বেশি।এছাড়া প্রতিদিন নাফ নদী পারিদিয়ে বান্দরবানের নাইক্ষৎছড়ি ছাড়াও বিভিন্ন সীমান্তদিয়ে বাংলােশে প্রবেশ করছে।এছাড়াও বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের নো ম্যান্শ ল্যান্ডে আরও হাজার হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় আছে।বিবিসি ধারনা করছে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা আশ্রিতের সংখ্যা পাচঁ লাখের মত হতে পরে।আমি মনে করি এভাবে চলতে থাকলে এ সংখ্যা অনেক বেড়ে যাবে।
যারা বাংলাদেশ- মিয়ানমার সীমান্তের নো ম্যান্শ ল্যান্ডে বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় আছে তারা ভূতুর মতো আমাদের(বাংলাদেশের)সীমান্তরক্ষি বাহিনীর মূখের দিকে তাকিয়ে আছে।আর আমার মতো ভূতুকে খাওয়াতে মন চাইলেও বাংলাদেশে ঢুকতে দিচ্ছে না।বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি জানে,রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে ঢুকতেদিলে তারা আর মিয়ানমারে ফিরে যাবে না।যেমনটি লালুকে আর বাজার বিমুখ করা যায়নি।সে দিন বিবিসির মাধ্যমে জানতে পারলাম এক বয়স্কপুরুষ ১৭ বছর ধরে বাংলাদেশের আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রিত হিসেবে আছে!এই ১৭ বছরে মিয়ানমারে কি কখন পরিস্থিতি শান্ত হয়নি? আমরা জানি তা কয়েক বার পরিস্তিতি অনেকাংশে শান্ত হয়েছে।যদি তাই হয়ে থাকে তবে কেন তিনি এতোদিনে নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরে যায়নি?এই রকম বয়স্ক মানুষ ছাড়াও সেই সময় বা তার আগে পরে ২৫ আগষ্ট ২০১৭ সালের পূর্বে যারা বাংলাদেশে এসেছেন,তারা বিভিন্নভাবে বাংলাদেশ অভ্যন্তরে এমনকি বহিরবিশ্বে বাংলাদেশের সুনাম ক্ষুন্ন করেছেন (যারা আমার আগের লেখাটি পড়েছে তারা বুঝতে পারবেন) আগের লেখাটি পড়তে >>>এখানে ক্লিক করুন রোহিঙ্গারাতো আর লালু নয় যে তাদের হত্যা করবো আমরা বাংলাদেশীরা বা আমাদের সীমান্তরক্ষি বাহিনী বিজিবি।যারা কিনি এই হত্যা নির্যাতনের ভয়ে আমাদের বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।তবুও আমরা যদি বাদ্ধহয়ে তাদের হত্যা করি,তাহলে আমাদের আর নিস্তার নাই।আন্তর্জাতিক আদালতে আমাদের বিচার হবে,বিচারে মৃত্যুদন্ড অবধারিত।এমনকি দেশটাও হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে।


বুধবার, ৩০ আগস্ট, ২০১৭

রোহিঙ্গাদের জন্য সিমান্তখুলে দেয়া কতটা যৌক্তিক?

মিয়ানমারে যে জাতিগত হামলা তা ক্রমেই ভয়াভয় রুপনিচ্ছে। যা বর্তমান সময়ে আরও কঠিন রুপ ধারন করেছে।এমতাঅবস্থায় বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ এমনকি বাংলাদেশের একটি অন্যতম রাজনৈতিক দল বিএনপি'র প্রধান বেগম খালেদা জিয়া  রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশের সিমান্ত খুলেদিতে বলেছেন। শুধু তাইনয় বহিরবিশ্বও বিভিন্নভাবে বাংলাদেশকে চাপদিতে শুরু করেছে।এইঅবস্থায় বাংলাদেশের সিমান্ত রোহিঙ্গাদের জন্যখুলে দেয়া কতোটা যৌক্তিক তা আগেভাবা দরকার, তা না হলে পরে হয়তো পস্তাতে হতে পারে।
এভাবে হাজার হাজার রোহিঙ্গা মুসলিম বাংলাদেশ সীমান্তে পালিয়ে আসছে। 
আসলে মায়ানমারে যা হচ্ছে তা কোনভাবেই ভালহচ্ছে না।তাই মানবিক দিক বিবেচনায় রোহিঙ্গাদের সহযোগিতা করা দরকার।কতোটা নিরুপায় হলে একটা দেশের নাগরিক অন্যদেশে পালিয়ে বাচতে চায়?হাজার হাজার রোহিঙ্গা নিজের জীবন বাচাতে সেই জীবন বাজিরেখে বাংলাদেশ সিমান্তে ভিরকরছে। একটু সুযোগ পেলেই তারা বাংলাদেশে ঢুকতে মরিয়া।
এদিকে বিজিবি তাদের অনুপ্রবেশ রুখতে মরিয়া।তবুও কয়েকদিনে অনেক রোহিঙ্গা বাংলাদেশর অভ্যন্তরে প্রবেশ করেছে।অনেক অসুস্থ অগ্নিদদ্ধ রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতেও দেখাযায়।হাসপাতাল কর্তিপক্ষ ও চিকিৎসকেরা মানবিক দিক বিবেচনা করে রহিঙ্গাদের আন্তরিকতার সাথে তাদের চিকিৎসা করছে।
এদিকে মিয়ানমার রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্বসমাজ কার্যত নিরব।তারা রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারকে সমস্যা সামাধানে চাপ না দিয়ে বরং বাংলাদেশকে রোহিঙ্গাদের সহযোগিতা করতে চাপদিচ্ছে।জানিনা রহিরবিশ্বের চাপে নাকি মানবিক দিক বিবেচনায় নিয়ে বিএনপি চেয়ারপাসন বেগম খালেদা জিয়া রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশ সিমান্ত খুলেদিতে বলেছেন।তিনি আরও সুপারিশ করেছে, মিয়ানমারে পরিবেশ শান্তহলে রোহিঙ্গাদের সে দেশে পাঠান যেতেপারে।অনেক সাধারন মানুষ আবার বাংলাদেশের স্বাধীনতা
যুদ্ধে ভারতীয়দের ভূমিকার কথাতুলে ধরে রোহিঙ্গাদের সহযোগিতার কথাবলছে।
একটু সুযোগ পেলেই বাংলাদশে ঢুকেপরছে রোহিঙ্গারা। 
মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের উপর যা হচ্ছে তা দেখে যে কোন মানুষের বিবেক নাড়াদিতে বাদ্ধ।সেখানে হাজার হাজার রোহিঙ্গা নারীদের ধর্ষণ করা হচ্ছে,নিবির্চারে মানুষের ঘরবাড়ীতে অগ্নিসংযোগ ও গুলিকরে হত্যাকরা হচ্ছে রোহিঙ্গা মুসলিমদের।তাদের হতথেকে শিশু বৃদ্ধ কেউই রেহাই পাচ্ছেনা।
এসব দেখে যেকোন মানুষই আবেগতারিত হয়ে বলতেই পরে রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশ সীমান্ত খুলেদেয়া হোক।কিন্তু আবেগের সাথে সাথে বিবেকটাকেও একটু খাটাতে হবে।আমরা বাঙ্গালী ও মানুষ আমাদের ধর্মই হচ্ছে মানুষের সাহায্যকরা।তাই বলে আবেগতারিত হয়ে, নিজের দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌম বিসর্যন দিয়ে রোহিঙ্গাদের সাহায্য করতে হবে?
রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দেয়া বাংলাদেশের পূর্ব অবিজ্ঞতা আছে।মিয়ানমারে রোহিঙ্গা সংকট সাম্প্রতিক কোন বিষয় নয়।রোহিঙ্গা সংকট অনেক পুরানা সংঘাত।এর আগেও অনেকবার এরকম অনেক সংঘাত হয়েছেে।

শুক্রবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৭

জীবন বিনিময়


খাচার ভিতর বন্দি পাখি
শুধু ছটফটায়
খাচা ভেঙ্গে পাখি যেন
বেড়িয়ে আসতে চায়
খাচার ভিতর মন বুঝি
তার আর না সয়
স্বাধীন ভাবে উরতে সে যে চায়
চার দেয়ালে বন্দি থাকতে
আর না চায় ।
বেরিয়ে আসতে ফন্দি করে
তবুও আটকায়
হঠাত্ করে একদিন সে
উরাল দেয় আকাশে
কিছুক্ষন পরে সে
মুখ থুবরে পরে
কিছু যখন পারে না বুঝে উঠতে
আসলে তার পা দু'খানি
দেয়া ছিল ভেঙ্গে ।
পরে থেকে যখন আবার
এদিক ও দিক তাকায়
তার পাশে কাউকে না
সে দেখতে পায়
খানিক বাদে যখন আবার
চিল এসে নিয়ে যায়
জীবন ছাড়া পাখিটার
খালি দেহ পরে রয়
এটা ছিল পাখিটার
খাচার ভিতর বন্দি
জীবন বিনিময়